শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ০৭:৩৭ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
লোকে-লোকারণ্য সমুদ্র সৈকত বাংলাদেশের রাষ্ট্রের যত বড় কর্তাই হউক তাদেরকে জনগনের কাছে জবাবদিহিতা করতেই হবে : সালাহউদ্দিন আহমেদ চকরিয়ায় হাতির আক্রমণে নারীর মৃত্যু টেকনাফে অপহৃত উদ্ধার : অস্ত্র সহ চক্রের ৩ সদস্য আটক প্রাথমিক শিক্ষাকে উন্নত করা গেলে সামাজিক বৈষম্য দূরীকরণে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হবে : প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা টেকনাফের ‘ডাকাত খায়ের’ সহযোগী নারী সহ গ্রেপ্তার কক্সবাজারে ‘জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থান’ এক শহীদ ও আহত ৪৭ জনকে সহায়তা প্রদান সেন্টমার্টিন থেকে সাগরে ফিরেছে ১৮৩টি কচ্ছপের বাচ্চা লুট করেই ৬ ট্রলার সহ ৫৬ জেলেকে ছেড়ে দিয়েছে ‘মিয়ানমারের নৌবাহিনী’ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে রোহিঙ্গা কমিউনিটি নেতা নিহত

১১ বসতঘর ভস্মিভূত

নিজস্ব প্রতিবেদক : টেকনাফে আগুনে ১১ টি বসতঘর সম্পূর্ণ ভস্মিভূত হয়েছে। এতে হতাহত না থাকলেও প্রাথমিক অবস্থায় ৪০ লাখ টাকার বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) বিকাল ৩ টারদিকে উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের উলুবনিয়া এলাকার বাসিন্দা সৈয়দ আকবরের পুত্র আবুল কাশেম লালুর রান্নার ঘরের গ্যাস সিলিন্ডার থেকে এই আগুনের সূত্রপাত হয়। ঘন্টা পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনলেও ১১ টি ঘর সম্র্পর্ণ ভস্মিভুত হয়েছে বলে জানিয়েছেন হোয়াইক্যং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুর আহমদ আনোয়ারী।

ক্ষতিগ্রস্থ ঘরের মালিকরা হলেন, সৈয়দ আকবর, আবুল মনজুর, নুর কামাল মিস্ত্রী, সব্বির আহমদ, রশিদ আহমদ, দেলোয়ার হোসেন, আবুল কালাম ধলু, মনির আহমদ, আবুল কাশেম লালু, আবু তাহের, নুর আয়েশা।

হোয়াইক্যং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুর আহমদ আনোয়ারী জানিয়েছেন, আকস্মিকভাবে লালুর ঘরের ভেতর থেকে আগুনের লেলিহান বের হয়ে দ্রুত আগুনের তীব্রতা বাড়তে থাকে। আশপাশের লোকজন দ্রুত জড়ো হয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করে এবং ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেয়। স্থানীয়দের প্রায় আধাঘন্টার প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণ আনতে সক্ষম হলেও পুরোপুরি নেভানো সম্ভব হয়নি। পরে ফায়ার সার্ভিসের লোকজন এসে আগুন পুরোপুরি নেভাতে সক্ষম হয়। এসময়ের মধ্যে প্রায় ১১ টি বাড়ি পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এতে ৪০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো দাবি করেছেন।

তিনি বলেন, বিষয়টি উর্ধ্বতন সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে অবহিত করেছি এবং ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকেও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে সহযোগিতা করা হবে।

ফায়ার সার্ভিসের উখিয়া স্টেশনের ইনচার্জ মোহাম্মদ শফিউল ইসলাম খবর পেয়ে একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে নিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনলেও ১১ টি বসত ঘর পুড়ে যায়। আবুল কাশেম লালুর রান্নার ঘরের গ্যাস সিলিন্ডার থেকে আগুনের সূত্রপাত। এতে কোন হতাহত নেই।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

.coxsbazartimes.com

Design & Developed BY ThemesBazar.Com
themesbcox1716222888