শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ০৪:৪৭ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
লোকে-লোকারণ্য সমুদ্র সৈকত বাংলাদেশের রাষ্ট্রের যত বড় কর্তাই হউক তাদেরকে জনগনের কাছে জবাবদিহিতা করতেই হবে : সালাহউদ্দিন আহমেদ চকরিয়ায় হাতির আক্রমণে নারীর মৃত্যু টেকনাফে অপহৃত উদ্ধার : অস্ত্র সহ চক্রের ৩ সদস্য আটক প্রাথমিক শিক্ষাকে উন্নত করা গেলে সামাজিক বৈষম্য দূরীকরণে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হবে : প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা টেকনাফের ‘ডাকাত খায়ের’ সহযোগী নারী সহ গ্রেপ্তার কক্সবাজারে ‘জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থান’ এক শহীদ ও আহত ৪৭ জনকে সহায়তা প্রদান সেন্টমার্টিন থেকে সাগরে ফিরেছে ১৮৩টি কচ্ছপের বাচ্চা লুট করেই ৬ ট্রলার সহ ৫৬ জেলেকে ছেড়ে দিয়েছে ‘মিয়ানমারের নৌবাহিনী’ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে রোহিঙ্গা কমিউনিটি নেতা নিহত

সোহেল এর মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক : ডুলাহাজারা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কের সিংহরাজ ‘সোহেল’ মারা গেছে।

বুধবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারায় সাফারি পার্কের সিংহের বেষ্টনীর ভিতরে হঠাৎ নিথর হয়ে যায় সে।

বৃহস্পতিবার সকালে ২২ বছর বয়সী সিংহ ‘সোহেলের’ মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাফারি পার্কের তত্বাবধায়ক মো. মাজহারুল ইসলাম।

এ ঘটনায় বুধবার রাতে চকরিয়া থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন জানান তিনি।

জিডিতে মাজহারুল উল্লেখ করেন, সাফারি পার্কের বয়স্ক সিংহ ‘সোহেল’ বুধবার সন্ধ্যায় মারা যায়। প্রকৃতিতে একটি সিংহ স্বাভাবিকভাবে ১৫-১৮ বছর বাঁচে।

” মিরপুর জাতীয় চিড়িয়াখানা থেকে সিংহটি ২০০৪ সালে ডুলাহাজারা সাফারি পার্কে আনা হয়। তখন সেটির বয়স ছিল ৪ বছর। বিগত ৩-৪ বছর ধরে সিংহটি বার্ধক্যজনিত সমস্যায় ভুগছিল। “

সাফারি পার্কের এ তত্ত্বাবধায়ক বলেন, বার্ধক্যের উল্লেখযোগ্য সব লক্ষণ সিংহটির শরীরে ক্রমান্বয়ে প্রকাশ পাচ্ছিলো। বিগত ২০১৯ ও ২০ সালে চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিম্যাল সাইন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের চারজন শিক্ষক পৃথকভাবে সিংহটির চিকিৎসা করেন। তারাও পর্যবেক্ষণে সিংহটির বার্ধক্য ও আয়ুষ্কাল শেষের দিকে বলে তখন উল্লেখ করেছিলেন।

চকরিয়া উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা সুপন নন্দী ও পার্কের ভেটেনারি সার্জন ডা. হাতেম সাজ্জাদ মো. জুলকার নাইন মৃত সিংহের ময়নাতদন্ত করেন।

কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চকরিয়ার মালুমঘাট এলাকায় ১৯৯৯ সালে পথচলা শুরু ডুলাহাজারা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কের। ভেতর-বাইরে ৯০০ হেক্টর আয়তন নিয়ে যাত্রা করা পার্কে বিপুল পরিমাণ মাদার ট্রিসহ (গর্জন) রয়েছে নানা প্রজাতির বনজ গাছ। সপ্তাহের মঙ্গলবার ছাড়া বাকি ছয়দিন দর্শনার্থীদের উচ্ছ্বাস মিশে যায় প্রাণীকুলের কোলাহলের সঙ্গে।

পার্কের ১৯টি বেষ্টনীর মধ্যে সংরক্ষিত আছে বিচিত্র সব প্রাণী। পার্কের ভেতরে পালিত হচ্ছে- হাতি, বাঘ, সিংহ, জলহস্তী, গয়াল, আফ্রিকান জেব্রা, ওয়াইল্ডবিস্ট, ভাল্লুক, বন্য শুকর, হনুমান, ময়ূর, স্বাদু ও লোনা পানির কুমির, সাপ ও বনগরুসহ দেশি-বিদেশি নানা প্রজাতির প্রাণী।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

.coxsbazartimes.com

Design & Developed BY ThemesBazar.Com
themesbcox1716222888