শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ০৫:০৩ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
লোকে-লোকারণ্য সমুদ্র সৈকত বাংলাদেশের রাষ্ট্রের যত বড় কর্তাই হউক তাদেরকে জনগনের কাছে জবাবদিহিতা করতেই হবে : সালাহউদ্দিন আহমেদ চকরিয়ায় হাতির আক্রমণে নারীর মৃত্যু টেকনাফে অপহৃত উদ্ধার : অস্ত্র সহ চক্রের ৩ সদস্য আটক প্রাথমিক শিক্ষাকে উন্নত করা গেলে সামাজিক বৈষম্য দূরীকরণে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হবে : প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা টেকনাফের ‘ডাকাত খায়ের’ সহযোগী নারী সহ গ্রেপ্তার কক্সবাজারে ‘জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থান’ এক শহীদ ও আহত ৪৭ জনকে সহায়তা প্রদান সেন্টমার্টিন থেকে সাগরে ফিরেছে ১৮৩টি কচ্ছপের বাচ্চা লুট করেই ৬ ট্রলার সহ ৫৬ জেলেকে ছেড়ে দিয়েছে ‘মিয়ানমারের নৌবাহিনী’ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে রোহিঙ্গা কমিউনিটি নেতা নিহত

বালুখালীর ৪ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আগুনে পুড়েছে অন্তত ৪ হাজার ঘর-দোকান

নিজস্ব প্রতিবেদক : উখিয়ার বালুখালীর চারটি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অগ্নিকান্ডে অন্তত ৪ হাজারের বেশি ঘর ও দোকান পুড়ে গেছে। টানা ৬ ঘন্টা পর ফায়ার সার্ভিসের সাতটি ইউনিট রাত ৯ টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছে। তবে হতাহতের সংখ্যা এখনো নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।

কক্সবাজারস্থ অতিরিক্ত ত্রাণ ও শরণার্থী প্রত্যাবাসন কমিশনার মো. সামছু-দৌজা নয়ন জানিয়েছেন, সোমবার বিকাল ৩ টায় উখিয়ার বালুখালী ৮-ডব্লিউ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এ আগুন লাগার ঘটনা ঘটে।

পরে আগুন ক্যাম্পটির লাগোয়া ৮-এইচ, ৯ ও ১০ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ছড়িয়ে পড়ে বলে জানান তিনি।

তবে আগুনের সূত্রপাতের কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হয়নি বলে জানান অতিরিক্ত ত্রাণ ও শরণার্থী প্রত্যাবাসন কমিশনার।

তিনি জানান, ইতিমধ্যে বালুখালী ৮-ডব্লিউ নম্বর ক্যাম্প সম্পূর্ণ ভস্মিভূত হয়েছে।

সামছু-দৌজা বলেন, সোমবার বিকালে উখিয়ার বালুখালীর ৮-ডব্লিউ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। বাতাসের গতিবেগ বেশী হওয়ায় আগুন দ্রুত পার্শ্ববতী ক্যাম্পগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। এতে ক্যাম্পটির লাগোয়া আরো ৩ টি ক্যাম্পে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এতে ৪ সহস্রাধিক বসত ঘর ও দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে যায়।

“ আগুন লাগার সাথে সাথে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক কর্মি ও স্থানীয়রা মিলে আগুন নেভানোর চেষ্টা চালায়। পরে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মিরাও আগুন নিয়ন্ত্রণ কাজে যোগ দেন। ”

অতিরিক্ত ত্রাণ ও শরণার্থী প্রত্যাবাসন কমিশনার বলেন, “ফায়ার সার্ভিসের উখিয়া স্টেশনের দুইটি ইউনিটের পাশাপাশি টেকনাফের ২ টি, কক্সবাজারের ২ টি এবং রামুর ১ টি ইউনিট ৯ টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।

তবে আগুণের সূত্রপাতের কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হয়নি বলে জানান সামছু-দৌজা।

তিনি জানান, বাতাসের গতিবেগ বেশী হওয়ায় আগুণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় প্রাণহানিসহ ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে ক্যাম্পগুলো থেকে লোকজনকে অন্যত্রে সরিয়ে নেয়া হচ্ছে। এতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ও হতাহতের সংখ্যা নির্ধারণে কাজ চলছে।

এদিকে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ঘটনাস্থলে অবস্থান করছে জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ, পুলিশ সুপার মো. হাসানুজ্জামান সহ প্রশাসনের উধ্বর্তন কর্মকর্তা।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

.coxsbazartimes.com

Design & Developed BY ThemesBazar.Com
themesbcox1716222888