শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ১০:০৫ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
লোকে-লোকারণ্য সমুদ্র সৈকত বাংলাদেশের রাষ্ট্রের যত বড় কর্তাই হউক তাদেরকে জনগনের কাছে জবাবদিহিতা করতেই হবে : সালাহউদ্দিন আহমেদ চকরিয়ায় হাতির আক্রমণে নারীর মৃত্যু টেকনাফে অপহৃত উদ্ধার : অস্ত্র সহ চক্রের ৩ সদস্য আটক প্রাথমিক শিক্ষাকে উন্নত করা গেলে সামাজিক বৈষম্য দূরীকরণে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হবে : প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা টেকনাফের ‘ডাকাত খায়ের’ সহযোগী নারী সহ গ্রেপ্তার কক্সবাজারে ‘জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থান’ এক শহীদ ও আহত ৪৭ জনকে সহায়তা প্রদান সেন্টমার্টিন থেকে সাগরে ফিরেছে ১৮৩টি কচ্ছপের বাচ্চা লুট করেই ৬ ট্রলার সহ ৫৬ জেলেকে ছেড়ে দিয়েছে ‘মিয়ানমারের নৌবাহিনী’ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে রোহিঙ্গা কমিউনিটি নেতা নিহত

১০১ দিন পর খুলল কফি হাউজ, স্বাস্থ্যবিধি মেনে ’সেই আড্ডা’

থার্মাল স্ক্যানিংয়ের মাধ্যমে পরীক্ষা করে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে কফি হাউজে

সমকাল : করোনা পরিস্থিতিতে লকডাউন পুরো ভারত। বন্ধ ছিল পশ্চিমবঙ্গের উত্তর কলকাতার কলেজ স্ট্রিটের ঐতিহ্যবাহী সেই কফি হাউজ, সঙ্গে সেই আড্ডাও। তবে এবার কিছু শর্ত আর স্বাস্থ্যবিধি মেনে তা খুলে দেওয়া হয়েছে। 

১০১ দিন বন্ধ থাকার পর বুধবার থেকে দরজা খুলেছে কফি হাউজের। আগে সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা থাকত এই বিপণী। এখন থেকে সকাল ১১টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত খোলা থাকবে।

কফি হাউজ খুললেও ব্যালকনি বন্ধ থাকবে। বসার জন্য আসনসংখ্যাও থাকবে অর্ধেক। ফলে আড্ডা দেওয়ার সুযোগ পেতে অপেক্ষা দীর্ঘতর হতে পারে।

কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে বৃহস্পতিবার হিন্দুস্তান টাইমস বলছে, আর সাদা কাপে নয়, কফি পরিবেশন করা হবে কাগজের কাপে।  অন্যান্য পদ পরিবেশনেও বিধি বদলাচ্ছে কফি হাউজ। কমছে পদের সংখ্যাও।

সপ্তাহে ৬ দিন খুলবে কফি হাউজ। রোববার পুরো ভবন স্যানিটাইজ করা হবে। কফি হাউজে ঢুকতে হবে মাস্ক পরে। স্যানিটাইজার ও সাবান ব্যবহার করে হাত ধোয়া বাধ্যতামূলক।

করোনার প্রাদুর্ভাবের কারণে গত ২০ মার্চ থেকে বন্ধ ছিল কলকাতা কফি হাউজ। বাঙালির মনন চর্চার অন্যতম প্রাণকেন্দ্রে তালা পড়ায় মন খারাপ ছিল অনেকের। বিশেষ করে নিয়মিত যারা কফি হাউজে আড্ডা দেন, তাদের কাছে অসহনীয় হয়ে উঠেছিল বিচ্ছেদ।

এনডিটিভি জানিয়েছে, এখন একতলা ও দুইতলা মিলিয়ে ৫০টি টেবিল থাকছে। অর্থাৎ তলাপিছু ২৫টি টেবিল। আগে ছিল দুই তলা মিলিয়ে ১০০টি টেবিল। পাশাপাশি প্রতি টেবিল পিছু চারজন গ্রাহকের বসার অনুমতি মিলছে কফি হাউসে। চলছে ঘনঘন স্যানিটাইজেশন। প্রতিবার সর্বাধিক ১০০ জন গ্রাহককে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে।

তবে, কফি হাউস কর্তৃপক্ষের উদ্বেগ, কীভাবে টেবিল ছাড়তে বলা হবে গ্রাহকদের। কারণ আগে ঘন্টার পর ঘণ্টা টেবিলে বসে চলত বাঙালি আড্ডা। উঠতে কফি কাপে ধোয়া সঙ্গে টোস্ট কিংবা ফিশফ্রাই। যেহেতু আনলক পর্বে গণজমায়েতে সবকিছু নিয়ন্ত্রিত, তাই সেই ১৯৪২ থেকে চলে আসা এই প্রথা ভাঙতেই এখন গলদঘর্ম কলেজ স্ট্রিট কফি হাউসের কর্মীরা। ফুড মেনু কমিয়ে গ্রাহকের উপস্থিতি সময় কমানোর পক্ষেই জোর দিয়েছে তারা।

এ বিষয়ে ভারতীয় কফি কর্মী সমবায় সংগঠনের সচিব তপন কুমার পাহাড়ি বলেন, পুরনো যারা গ্রাহক; তাদের বলবো আপনারা নিশ্চিন্তে আসুন। স্যানিটাইজিং, থার্মাল স্ক্যানিং সবকিছুর ব্যবস্থা রেখেছি আমরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

.coxsbazartimes.com

Design & Developed BY ThemesBazar.Com
themesbcox1716222888