নিজস্ব প্রতিবেদক : টেকনাফের সাগর উপকূল দিয়ে মালয়েশিয়া পাচারের উদ্দ্যেশে জড়োকালে ২০ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। যেখানে বাংলাদেশি রয়েছেন ৮ জন, আর রোহিঙ্গা রয়েছেন ৪ নারী সহ ১২ জন। এ সময় মানবপাচারে জড়িত নারী সহ তিন দালালকে আটক করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার মধ্যরাতে টেকনাফ উপজেলার সদর ইউনিয়নের দক্ষিণ লম্বরী এলাকায় এ অভিযান চালানো হয় বলে জানান, টেকনাফ থানার ওসি মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন।
আটক দালালরা হল, টেকনাফ সদর ইউনিয়নের দক্ষিণ লম্বরী এলাকার দীল মোহাম্মদের স্ত্রী লুনা বেগম (৩৬) ও একই এলাকার মো. ইউনুছের ছেলে মো. রিদুয়ান (১৯) এবং সাবরাং ইউনিয়নের কচুবুনিয়া এলাকার সাকের হোসাইনের ছেলে মো. আব্দুল্লাহ (২১)।
উদ্ধার বাংলাদেশি ৮ জন হলেন, চট্টগ্রামের পতেঙ্গার মধ্যমপাড়ার মমতাজ আলীর ছেলে আবদুল মাবুদ (২৪), একই এলাকার কবির আহমদের ছেলে শাহাজাহান (৩২), টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়নের টেক্সিব্রিজ এলাকার আজিউর রহমানের জহুর আলম (২০), কক্সবাজার পৌরসভার ঘোনারপাড়া এলাকার শওকত ওসমানের ছেলে আবদুর রহিম (৩০), মহেশখালীর মুন্সির ডেইল নুরুল আমিনের ছেলে তৌহিদুল ইসলাম (২১), একই এলাকার মুন্সির ডেইলের রহমত উল্লাহর ছেলে মো. সোহেল (২০), রামুর কাউয়ারকোপ এলাকার মৃত আবুল খায়েরের ছেলে মনিরুল আলম (৪২), কক্সবাজার সদরের পিএমখালীর নয়াপাড়ার মমতাজ মিয়ার ছেলে মনজুর আলম (৪০)।
উদ্ধার রোহিঙ্গা হলেন, টেকনাফের হাকিমপাড়ার ক্যাম্পের রহমত উল্লাহর ছেলে আয়াত উল্লাহ (২০), বালুখালি ক্যাম্পের মো. আমিনের ছেলে নেছার উল্লাহ (২০), কুতুপালং ক্যাম্পের রহমত উল্লাহর ছেলে শফি আলম (১৫), জামতলি ক্যাম্পের রহিম উল্লাহর ছেলে নুর আলম (১৯), বালুখালি ক্যাম্পের মির আহমদের ছেলে ছৈয়দ কাছিম (১৭)
৮. একই ক্যাম্পের মো. আমিনের ছেলে নুর আবছার (১৯), শফিউল্লাহ কাটা ক্যাম্পের মো. কবিরের ছেলে মো. নজরুল (২৩), কুতুপালং ক্যাম্পের রহিম উল্লাহর ছেলে দিল কায়েস (১৭), থাইংখালি ক্যাম্পের নুর ছালামের মেয়ে সাবেকুন্নাহার (১৯), একই ক্যাম্পের রহিম উল্লাহর মেয়ে ধলু বেগম (১৯), দিল মোহাম্মদের মেয়ে উম্মে হাবিবা (১৬), কুতুপালং ক্যাম্পের নুর মোহাম্মদের মেয়ে মিনুয়ারা বেগম (১২)।
টেকনাফ থানার ওসি গিয়াস উদ্দিন বলেন, মধ্যরাতে টেকনাফ সদর ইউনিয়নের দক্ষিণ লম্বরী এলাকার জনৈক ব্যক্তির বসত ঘরে মালয়েশিয়া পাচারের উদ্দ্যেশে বেশ কিছু সংখ্যক রোহিঙ্গাসহ লোকজন জড়ো করার খবরে পুলিশের একটি দল অভিযান চালায়। এতে সন্দেহজনক বাড়ীটি ঘিরে ফেললে ৫/৬ জন লোক দৌঁড়ে পালানোর চেষ্টা চালায়। এসময় ধাওয়া দিয়ে ৩ জনকে আটক করতে সক্ষম হলেও অন্যরা পালিয়ে যায়। পরে বসত ঘরটি তল্লাশী চালিয়ে নারীসহ ১২ জন রোহিঙ্গা এবং ৮ জন বাংলাদেশি নাগরিককে উদ্ধার করা হয়েছে। “
আটক দালাল ও উদ্ধার হওয়াদের স্বীকারোক্তির বরাতে ওসি বলেন, “ সম্প্রতি সাগরপথে মানবপাচারে জড়িত সংঘবদ্ধ একটি চক্র হয়ে উঠেছে। আটক দালালরা সহ চক্রটির সদস্যরা উদ্ধার হওয়া ভূক্তভোগীদের মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে মালয়েশিয়া পাচারের উদ্দ্যেশে জড়ো করেছিল। “
গিয়াস উদ্দিন জানান, আটক দালালদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা এবং উদ্ধার হওয়াদের স্বজনদের কাছে ফেরত পাঠাতে পুলিশ ব্যবস্থা নিচ্ছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক : কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের জন প্রিয় স্পট সুগন্ধ পয়েন্ট; যেখানে সারা বছর পর্যটকের…
নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশের রাষ্ট্রের যত বড় কর্তাই হউক বা প্রতিষ্ঠান হউক তাদেরকে জনগনের কাছে…
নিজস্ব প্রতিবেদক : চকরিয়ায় তামাক চুল্লীতে জ্বালানি দিতে গিয়ে বন্যহাতির আক্রমণে এক নারী নিহত হয়েছে।…
নিজস্ব প্রতিবেদক : টেকনাফে নৌবাহিনী ও পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে এক অপহৃতকে উদ্ধার এবং তিন…
নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা প্রফেসর ড. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার বলেছেন, ২০২৪…
টেকনাফ প্রতিবেদক : টেকনাফে পুলিশ ও নৌবাহিনী যৌথ অভিযানে এক নারী সহযোগীসহ কুখ্যাত ডাকাত আবুল…