সোমবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৫, ০৪:২২ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
নারীর জমি দখলে নিতে কৃষকদল নেতা পরিচয়ে ভোর রাতে হামলা, ভাংচুর ও গুলি বর্ষণ; আটক ১ হজ্ব যাত্রীদের হয়রানী করলে এজেন্সির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে : ধর্ম উপদেষ্টা চকরিয়া কলেজের অধ্যক্ষের পদত্যাগের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ, শিক্ষকদের কর্মবিরতি মিয়ানমার অভ্যন্তরে ‘তোঁতার দিয়া’ সীমান্তেমাইন বিস্ফোরণে বাংলাদেশি জেলের পা বিচ্ছিন্ন উখিয়ায় ‘জমি বিরোধের জেরে’ সংঘর্ষে জামায়াত নেতা সহ নিহত ৩, আটক ৪ টেকনাফে আবারও দুইজনকে অপহরণ; ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি ঈদগাঁওতে ট্রেনে কাটা পড়ে নিহত ১ উখিয়ায় ‘জমি বিরোধের জেরে’ সংঘর্ষে জামায়াত নেতা সহ নিহত ৩ লোকে-লোকারণ্য সমুদ্র সৈকত বাংলাদেশের রাষ্ট্রের যত বড় কর্তাই হউক তাদেরকে জনগনের কাছে জবাবদিহিতা করতেই হবে : সালাহউদ্দিন আহমেদ

টেকনাফের পাহাড়ে অপহরণ : অপহৃত হাশেমকে ছাড়তে দুই লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি

টেকনাফ প্রতিবেদক : টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়ার যুবক আবুল হাশেম (২২) এর পরিবার থেকে মুক্তিপণ হিসেবে দুই লাখ টাকা দাবি করেছে অপহরণকারীরা সন্ত্রাসীরা।

অপহৃত যুবক উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের নোয়াখালীয়াপাড়া (খামারপাড়া) বাসিন্দা আবদুর রহিমের ছেলে।

সোমবার রাত নয়টার দিকে একটি অপরিচিত মোবাইল ফোন নম্বর থেকে বাড়ির নম্বরে ফোন করে দুই লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়েছে। দাবি করা টাকা না পেলে ছেলের লাশ নেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকতে হুমকি দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাহারছড়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ৯নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মোহাম্মদ ইলিয়াস।

রবিবার রাতে বাহারছড়া ইউনিয়নের নোয়াখালিয়াপাড়ার (খামারপাড়ার) পাহাড়ের পাদদেশের বসতঘর থেকে বাইরে বের হয়ে অপহরণের শিকার হন আবুল হাশেম।

অপহৃত যুবকের বাবা আবদুর রহিম বলেন,‘রোববার রাতে আমার ছেলেকে মুখোশধারী সন্ত্রাসীরা অস্ত্রেরমূখে জিম্মি করে ধরে নিয়ে গেছে। এখন ফোন করে দুই লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হচ্ছে। ছেলের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করতে পেরেছি। বলেছে ২ লাখ টাকা দিলে তারা আমাকে ছেড়ে দেবে। টাকার জন্য আমাকে মারধর করা হচ্ছে।’

টেকনাফ মডেল থানার ওসি মো. জুবাইর সৈয়দ বলেন,‘রবিবার রাতে একজন যুবককে অপহরণ করা হযেছে বলে ইউপি সদস্যের মাধ্যমে বিষয়টি শুনেছি।তাকে উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।’

এই যুবক ছাড়া ২০২২ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৩ এর ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত শুধু মাত্র টেকনাফের পাহাড় কেন্দ্রিক অপহরণের ঘটনা ঘটে ১৩০ টি। যার মধ্যে ৬৮ জন স্থানীয় এবং ৬১ জন রোহিঙ্গা। যেখানে ২৯ জন মুক্তিপণের টাকা পরিশোধের কোন তথ্য পাওয়া না গেলে অপর ১০১ জন সকলেই মুক্তিপণ দিয়ে ছাড়া পেয়েছেন বলে ভুক্তভোগী পরিবার দাবি করে আসছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

.coxsbazartimes.com

Design & Developed BY ThemesBazar.Com
themesbcox1716222888