জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ ১১-১৭ মার্চ

Hilsha-Protection-Week-01জাতীয় ডেস্ক : মার্চের ১১ থেকে সারা দেশে জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ পালিত হবে।সপ্তাহের এবারের স্লোগান ‘জাটকা ইলিশ ধরব না, দেশের ক্ষতি করব না’।

সচিবালয়ে বুধবার মৎস ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ ছায়েদুল হকের সভাপতিত্বে ইলিশ সম্পদ সংরক্ষণ সংক্রান্ত জাতীয় টাস্কফোর্সের সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়।

জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ উদযাপনে ১১ মার্চ মৎস্য ভবনে সংবাদ সম্মেলন করবেন মন্ত্রী। ওই দিন পটুয়ালখালীর কলাপাড়ায় হবে শোভাযাত্রা ও জনসভা।

জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহজুড়ে দেশের বিভিন্ন মাছের বাজারে ঝটিকা অভিযান ছাড়াও আগামী ১৭ মার্চ সারা দেশে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করার সিদ্ধান্ত হয়েছে সভায়।

জাটকা নিধনরোধে জনসচেতনতা বাড়াতে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচারণার পাশাপাশি মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্মশালার আয়োজন করবে। এছাড়া জাটকা সংরক্ষণের স্বার্থে তেতুলিয়ায় র‌্যাবের  একটি ক্যাম্প স্থাপনেরও সিদ্ধান্ত হয়েছে।

মন্ত্রী ছায়েদুল হক বলেন, “ইলিশ রক্ষায় বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়ায় গত বছর অলিতে-গলিতে ইলিশ পাওয়া গেছে। আগামীতেও এই ধারা অব্যাহত রাখতে হবে।”

তবে মৎস অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সৈয়দ আরিফ আজাদ বলেন, এবছর ইলিশের উৎপাদন কেমন হবে তা আগে থেকেই বলা যাবে না। কারণ তাপমাত্রা, পানির প্রবাহ, আবহাওয়াসহ বিভিন্ন বিষয়ের উপর ইলিশের উৎপাদন নির্ভর করে।

জাটকা রক্ষাকে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করে ছায়েদুল হক বলেন, “সবার অ্যাকটিভ পার্টিসিপিশনে জাটকা নিধন এই পর্যায়ে এসেছে। এই কাজে কোনো রাজনৈতিক ব্যক্তি বাধা দিলে সেটা আমার উপর ছেড়ে দিন, আমিই মোকাবেলা করব।”

একেকজন মানুষ দিনে ৬০ গ্রাম করে মাছ খেলে বছরে ৪৩ লাখ টন মাছের প্রয়োজন হবে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, “সেই লক্ষ্য নিয়েই আমরা মাছের উৎপাদনে গুরুত্ব দিয়েছি।”

এছাড়া মাংস, ডিম ও দুধের চাহিদা মেটাতেও বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ছাড়াও পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়, তথ্য মন্ত্রণালয়, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, র‌্যাব, পুলিশ, বিজিবি, কোস্টগার্ডের প্রতিনিধি ছাড়াও মৎস্যজীবী সমিতির নেতারা সভায় উপস্থিত ছিলেন।

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Like