হলি আর্টিজানে বিদেশি ক্রেতাই বেশি

Chamely-BG20170114180803

জাতীয় ডেস্ক :  ‘এখান আর কোনো ভয়-ভীতি কাজ করছে না। যা ঘটে গেছে তা অতীত। ওটা একটা দুর্ঘটনা ছিল। সন্ত্রাসীদের কাজ বিশৃঙ্খল সৃষ্টি করা। তাদের প্রশ্রয় দিতে নেই। হলি আর্টিজান কামব্যাক করায় তাদের অভিবাদন। আমি তাদের সঙ্গে আছি।’

দুঃস্বপ্ন ভুলে আবার চালু হওয়া হলি আর্টিজান বেকারিতে খেতে বসে শনিবার (১৪ জানুয়ারি) এসব কথা বলেন বাংলাদেশ প্রবাসী কানাডার নাগরিক জেড পেনসেলভিয়া।

জঙ্গি হামলার ঘটনার পর প্রায় ৫ মাস বন্ধ ছিল হলি আর্টিজান বেকারি অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট। গত ১০ জানুয়ারি আবার চালু হওয়ার তিনদিনের মাথায় ক্রেতাদের কাছে পৌঁছাতে পেরেছে। পুরনো বিদেশি ক্রেতারাই প্রথম দিন থেকে খাবারের স্বাদ নিতে বেকারিতে ভিড় করছেন বলে জানায় আর্টিজান কর্তৃপক্ষ।

শনিবার সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেশি-বিদেশি বেশ কয়েকজন ক্রেতাকে বেকারির সোফায় বসে ব্রেড-কেক খেতে দেখা গেলো।

গুলশান-২ উত্তর অ্যাভিনিউয়ের ১৫৩ নম্বর ৠাংগস অর্কিড বিল্ডিংয়ের দ্বিতীয় তলায় সুপার শপ গারমিট বাজারের সঙ্গে ছোট্ট পরিসরে আবার চালু হয়েছে বেকারিটি।

বেকারি সেলস এক্সিকিউটিভ অফিসার শাহরিয়ার বাংলানিউজকে বলেন, সুপার শপ গারমিট বাজারে সঙ্গে ছোট পরিসরে আমরা হলি আর্টিজেনের বেকারির কাজ আপাতত শুরু করলাম। আশা করি, আমাদের যারা পুরোনো ও রেগুলার কাস্টমার তারা অতীতের সুনামের কথা বিবেচনা করে বেকারিতে আসবেন।

তিনি বলেন, যদিও বেকারি চালু হয়েছে এই বার্তা পৌঁছানোর জন্য আমরা এখনও কোনো বিজ্ঞাপন বা প্রচারণার ব্যবস্থা করিনি। এরপরও ক্রেতারা খবর পেয়ে আসছেন।

অনেকেই নতুন করে শুরু করায় শুভকামনা ও অভিনন্দন জানাচ্ছেন বলে জানান তিনি।

শাহরিয়ার বলেন, পহেলা জুলাই হলি আর্টিজেনে যে ঘটনা ঘটেছে, এখানে মালিকের কোনো হাত নেই। সুতরাং, আমাদের দ্বিধা-সংকোচ বা ভয়-ভীতি পাওয়ার কোনো কারণ নেই। আমাদের এখানে দেশি ক্রেতাদের চেয়ে বিদেশি ক্রেতার সংখ্যা বেশি। নতুন এই পথচলায় তারা আমাদের সঙ্গে রয়েছে। তাদের ভালোই সাড়া পাচ্ছি।

গতবছর পহেলা জুলাইয়ে রাজধানীর কূটনৈতিক পাড়া হলি আর্টিজানে জঙ্গি হামলায় দু্ই পুলিশ কর্মকর্তা ও বিদেশিসহ ২১ জন নিহত হন। এছাড়া হামলাকারী জঙ্গিরাও নিহত হয়।

-বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Like