টেকনাফ আ’লীগ নেতা হত্যা মামলার বাদি ও স্বাক্ষীরা নিরাপত্তাহীনতায়

imagesনিজস্ব প্রতিবেদক, ১২ জানুয়ারি : চরম নিরাপত্তাহীনতা এবং সাজানো মামলায় ভোগান্তি রয়েছেন টেকনাফে সন্ত্রাসীদের হাতে নিহত আওয়ামীলীগ নেতা সিরাজুল ইসলামের পুত্র সহ তার পরিবারের সদস্যরা। এমন কি একই ভোগান্তিতে রয়েছে ওই মামলার স্বাক্ষীরাও।

জানা যায়, ২০১৬ সালের ৪ জুলাই টেকনাফের নতুন পল্লান পাড়া বাসিন্দা টেকনাফ সদর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের ওই সময়ের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সিরাজুল ইসলাম মেম্বারকে গুলি করে হত্যা করে একটি চিহ্নিত ডাকাত বাহিনী। এ ঘটনায় তার পুত্র আবদুল ফারুক বাদি হয়ে টেকনাফ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। ১৫ জনকে আসামী করে দায়ের করা মামলা নিয়ে চরম নিরাপত্তাহীনতা রয়েছে এই মামলার বাদি।

মামলার বাদি এবং টেকনাফ উপজেলা ছাত্রলীগের নেতা আবদুল ফারুক জানিয়েছেন, আসামী হুমকির কারণে বর্তমানে তিনি নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছে। তার পরিবারের সদস্য এবং মামলার স্বাক্ষী সহ তাকে প্রতিনিয়ত হত্যা হুমকি দেয়া হচ্ছে।

এব্যাপারে ফারুক বাদি হয়ে টেকনাফ থানায় সাধারণ ডায়েরীও লিপ্ত করা হয়েছে।

ইতিমধ্যে মামলার বাদি আবদুল ফারুক সহ তার পরিবারের সদস্য ও স্বাক্ষীদের বিরুদ্ধে টেকনাফ থানায় একটি সাজানো মামলাও দায়ের করেছে আসামীরা।

এ প্রসঙ্গে ফারুক জানান, তাকে প্রধান আসামী করে জামিনে মুক্তি পাওয়া মামলার ৬ নম্বর আসামী নুরুল আলম এ মামলাটি দায়ের করেন টেকনাফ থানায়। যে মামলা তার পরিবারের সদস্য ও স্বাক্ষীরাও আসামী। তার পিতা হত্যা মামলার আসামী মোহাম্মদ ইলিয়াসকে আহতাবস্থায় পুলিশ গ্রেফতার করেছে। ডাকাতির ভাগবাটোয়ারা কেন্দ্র করে নিজের মধ্যে সংঘর্ষের জের ধরে ইলিয়াস আহত হলেও আসামীরা তাদের বিরুদ্ধে মামলা করায় তারা চরম নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন।

টেকনাফ উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. সুলতান জানান, আওয়ামীলীগ নেতাকে হত্যার পর একের পর এক ষড়যন্ত্র শুরু করেছে আসামীরা। পুলিশ কঠোর না হলে আরো বেপরোয়া হতে পারে আসামীরা। তাই দ্রুত ফারুকের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাটি প্রত্যাহার সহ আসামীদের গ্রেফতারের দাবি জানান তিনি।

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Like