মেডিকেল কলেজ ছাত্রলীগের একাংশের সংবাদ সম্মেলন : জেলা ছাত্রলীগ ও অধ্যক্ষের ভিন্নমত

dsc_0167নিজস্ব প্রতিবেদক, ০৯ জানুয়ারি : কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের হোষ্টেলের সিট বরাদ্ধের ক্ষেত্রে শিবির এবং ছাত্রদলের কর্মীদের অগ্রাধিকার দেয়ার অভিযোগ তুলেছে মেডিকেল কলেজ ছাত্রলীগের একাংশ। যদিও মেডিকেল কলেজে ছাত্রলীগের এ অভিযোগের সাথে একমত নন জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি। আর মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষও বলেছেন ছাত্রলীগের নামে কিছু শিক্ষার্থী বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছেন।

সোমবার সন্ধ্যায় কক্সবাজার প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা ইমন, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মো. হুসাইন ও সাংগঠণিক সম্পাদক তরিকুল ইসলাম আবিদ জানান, মেডিকেল কলেজে হোষ্টেলে সিট বরাদ্ধের ক্ষেত্রে শিবির এবং ছাত্রদলের কর্মীদের অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে। শিবিরের ২২ জন এবং ছাত্রদলের ৬ জনকে হোষ্টেলে সিট দেয়া হলেও সিট পায়নি ছাত্রলীগের ২৬ জন কর্মী। তারা দ্রুত সময়ের মধ্যে এ ২৮ জনের সিট বাতিল করে ছাত্রলীগের কর্মীদের সিট বরাদ্ধ দেয়ার দাবি জানান। অন্যতায় তারা আন্দোলন করবেন বলেও হুমকি দেন।

তবে ওই সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন না মেডিকেল ছাত্রলীগের সভাপতি। তিনি কোথায় জানতে চাইলে উপস্থিত ছাত্রলীগের কর্মীরা স্বীকার করেন সভাপতি হোষ্টেলে সিট পেয়েছে এবং তিনি হোষ্টেলে রয়েছেন।

বিষয়টি সম্পর্কে ভিন্নমত পোষন করেছেন জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ইশতিয়াক আহমদ জয়। তিনি জানান, ছাত্রলীগের মেডিকেল কলেজ শাখার কেউ সংবাদ সম্মেলন সম্পর্কে তিনি জানেন না। আর যে দাবি করা হয়েছে তাও অগ্রহণ যোগ্য নয়। মেডিকেল কলেজ অধ্যক্ষের সাথে তিনি আলাপ করেছেন পর্যাক্রমে সবাইকে হোষ্টেলে সিট দেয়া হবে। নতুন হোষ্টেল হওয়ায় এক সাথে সবাইকে নিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়।

তিনি মেডিকেল কলেজের স্বার্থে এরূপ আচরণ থেকে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের দূরে থাকার আহবানও জানান।

কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. রেজাউল করিম জানান, হোষ্টেলে এখনো পর্যাপ্ত উপকরণ পৌঁছেনি। যে উপকরণ পৌঁছেছে ওখানে সরকারি ব্যবস্থাপনা কক্সবাজার শহরে থাকা দুইটি হোষ্টেলের শিক্ষার্থীদের নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পরে উপকরণ আসলে নিজ ব্যবস্থাপনায় থাকা শিক্ষার্থীদেরও নিয়ে যাওয়া হবে। আর যাদের নিয়ে যাওয়া হয়েছে তারা শিবির ও ছাত্রদল কথাটি সত্য নয়। মেডিকেল কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতির সাথে আলাপ করে জানা গেছে তারা সাধারণ শিক্ষার্থী।

সংবাদ সম্মেলন প্রসঙ্গে অধ্যক্ষ রেজাউল জানান, কিছু শিক্ষার্থী রয়েছে যারা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করে থাকে প্রায়শ। ওরা ওই চক্র।

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Like