‘শহীদ দৌলতের রক্তে অর্জিত গণতন্ত্র জননেত্রী হাসিনা সমুন্নত রাখবেন’

a-lik-coxs-pic

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি, ০৬ ডিসেম্বর: ১৯৮৭ সালের ৫ ডিসেম্বর স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে নিহত ছাত্রলীগ নেতা শহীদ দৌলত খানের স্বরণে কক্সবাজার জেলা আওয়ামীলীগের উদ্যোগে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কক্সবাজার জেলা সভাপতি এড. সিরাজুল মোস্তফার সভাপতিত্বে জেলা আওয়ামীলীগ কার্যালয়ে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন- সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান চেয়ারম্যান, সহ-সভাপতি রেজাউল করিম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এড. রনজিত দাশ, জেলা আওয়ামীলীগ নেতা এইচ.এম ইউনুছ বাঙ্গালী, এড. তাপস রক্ষিত, আমিনুর রশীদ দুলাল, উসমান গনি, ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক ইমরুল হাসান রাশেদ।
জেলা আওয়ামীলীগের উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এম.এ মনজুরের পরিচালনা সভায় উপস্থিত ছিলেন- জেলা আওয়ামীলীগ নেতা মোঃ সাদিক মিয়া, এড. বদি উল আলম সিকদার, মাহবুব হক মুকুল, কাজী মোস্তাক আহমদ শামীম, হেলাল উদ্দীন কবির, ডঃ নুরুল আবছার, আবু তাহের আজাদ, মকছুদ মিয়া, মিজানুর রহমান, জি.এম. কাসেম, বদরুল হাসান মিল্কি, শহর আওযামীলীগ সভাপতি নজিবুল ইসলাম, নুরুল আজিম কনক, জাহেদ নেওয়াজ, ফরহাদ ইকবাল, ছাত্রলীগ সভাপতি ইসতিয়াক আহমদ জয়, যুব মহিলা লীগ সভানেত্রী আয়েশা সিরাজ, সাধারণ সম্পাদক তাহমিনা চৌধুরী লুনা, আনিসুল হক চৌধুরী, নাজমুল হোসাইন নাজিম, গিয়াস উদ্দিন, এবি ছিদ্দিক খোকন, শহর ছাত্রলীগ সভাপতি মোর্শেদ হোসাইন তামিম প্রমুখ।
নেতৃবৃন্দরা বলেন, ৭৫ আগষ্ট জাতীর জনককে স্বপরিবারে হত্যারপর জিয়াউর রহমান হত্যার রাজনীতি শুরু করে। তারই ধারাবাহিকতায় স্বৈরাচার এরশাদ ক্ষমতা দখল করে ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য একের পর এক ছাত্রলীগ নেতা কর্মীদের হত্যা শুরু করে। দেশব্যাপী হত্যাকান্ডের এক পর্যায়ে ৮৭ সালের ৫ ডিসেম্বর চকরিয়া উপজেলা কার্যালয়ে ঘেরাও করতে গিয়ে এরশাদ এর লেলিয়ে দেওয়া পুলিশের গুলিতে শহীদ হন দৌলত খান। শহীদ দৌলতের রক্তের মাধ্যমে অর্জিত হয় গণতন্ত্র। এই গণতন্ত্র জননেত্রী শেখ হাসিনা বাংলার মানুষকে সাথে নিয়ে সবসময় সমুন্নত রাখবেন।

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Like