চালু হলো সিটিসেল

untitled

আইন-আদালত ডেস্ক: আদালতের নির্দেশের পর সিটিসেলের তরঙ্গ খুলে দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগোযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।

রোববার (০৬ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে এ তথ্য জানান বিটিআরসি চেয়ারম্যান ড. শাহজাহান মাহমুদ। তিনি বলেন, সিটিসেল কার্যালয় থেকে আমাদের একজন কর্মকর্তা অনলাইনে চেক করে জানিয়েছেন অপারেটরটির তরঙ্গ চালু হয়েছে।

সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে মহাখালী সিটিসেল কার্যালয় থেকে বেরিয়ে বিটিআরসি পরিচালক ইয়াকুব আলী সাংবাদিকদের বলেন, ‘কার্যালয় খুলে ভিতরে ঢুকে দেখেছি, অননেট ও অফনেট দু’টোতেই এখন কল যাচ্ছে। রাজস্ব বকেয়ার কারণে ২০ অক্টোবর সিটিসেলের তরঙ্গ ও কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিলো। আদালতের আদেশে তরঙ্গ খুলে দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, রাত সোয়‍া ৮াটর দিকে দিকে সিটিসেল মোবাইলে কল করে সেবা পাওয়া যাচ্ছিলো না।

আপিল বিভাগের নির্দেশের পর বিটিআরসি’র বিশেষ কমিশন সভায় সিটিসেলের তরঙ্গসহ কার্যক্রম চালুর সিদ্ধান্ত হয়। সন্ধ্যায় বিটিআরসির পরিচালক ইয়াকুব আলীর নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি দল মহাখালীতে সিটিসেল কার্যালয়ে যায়। তারা সিলগালা খুলে দেওয়াসহ অপারেশনাল কার্যক্রম চালু করার কাজ করে।

এর আগে বিটিআরসির সচিব মো. সরওয়ার আলম বলেন, আদালতের নির্দেশে সিটিসেলের তরঙ্গ খুলে দেওয়া হচ্ছে।

বিটিআরসির একজন কর্মকর্তা বাংলানিউজকে বলেন, অপারেটরটির অফিসে অপারেশনাল কার্যক্রমের পাশাপাশি সিটিসেল চালুর বিষয়ে আইজিডব্লিউ ও আইসিএক্সগুলোকে চিঠি দেবে বিটিআরসি। একই সঙ্গে অন্যান্য মোবাইল অপারেটরগুলোকেও সিটিসেলের সঙ্গে নেটওয়ার্কজনিত কার্যক্রম শুরুর জন্য চিঠি দেওয়া হবে।

পৌনে ৫শ’ কোটি টাকা রাজস্ব বকেয়া থাকায় গত ২০ অক্টোবর সিটিসেলের তরঙ্গ স্থগিত ও কার্যক্রম বন্ধ করে কার্যালয় সিলগালা করে দেয় বিটিআরসি।

আদালতের শরণাপন্ন ও আইনি লড়াইয়ের জন্য আপিল বিভাগে গেলে আগামী ১৯ নভেম্বরের মধ্যে ১০০ কোটি টাকা পরিশোধের শর্ত সাপেক্ষে গত ৩ নভেম্বর সিটিসেলের তরঙ্গ বরাদ্দ অবিলম্বে খুলে দেওয়ার আদেশ দিয়েছিলেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

আদালতের নির্দেশে সিটিসেলের তরঙ্গ এখনও কেন খুলে দেওয়া হচ্ছে না। রোববার সকালে বিষয়টি আপিল বিভাগের নজরে আনেন সিটিসেলের আইনজীবী এ এম আমিন উদ্দিন। আপিল বিভাগ এ বিষয়ে বিটিআরসির কাছে ব্যাখ্যা চান। পরে বিটিআরসির কমিশন সভায় সিটিসেলের তরঙ্গ ও কার্যক্রম চালুর সিদ্ধান্ত হয়।

‘সিটিসেলের তরঙ্গ আদালতের নির্দেশে খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হলেও ১৯ নভেম্বরের মধ্যে ১০০ কোটি টাকা পরিশোধ না করলে আবারও বন্ধ করে দেওয়া হবে’- বলছেন বিটিআরসি কর্মকর্তারা।

বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম ও রিম নিবন্ধনের পর সিটিসেলের গ্রাহক দেড়-দুই লাখে নেমে এসেছে বলে এরআগে জানিয়েছিল বিটিআরসি।

-বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Like