চকরিয়ায় ৫০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ করে আগুনে পুড়ে ধ্বংস

chakaria-pic-current-jal-01-11-16

চকরিয়া প্রতিনিধি, ০১ নভেম্বর: কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার সমুদ্র উপকূলের বিভিন্ন ইউনিয়নে অভিযান চালিয়ে গত ২১ দিনে জব্দ করা হয়েছে প্রায় ৫০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল। ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে মৎস্য অধিদপ্তর ও বদরখালী নৌ-ফাঁড়ির পুলিশ এই অভিযান চালায়। গত ২১দিনে জব্দ করা এসব কারেন্ট জাল কয়েকদফায় পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলেও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটর নেতৃত্বে জব্দ করা প্রায় ৫ হাজার মিটার কারেন্ট জাল পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।
এর আগে মৎস্য অধিদপ্তর ও নৌ-পুলিশের পক্ষ থেকেও নিষেধাজ্ঞা শুরুর পর থেকে গত ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে জব্দ করা হয় প্রায় ৪৫ হাজার মিটার কারেন্ট জাল। এসব জালও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে আগুনে পুড়ে ধ্বংস করা হয়।
মঙ্গলবার অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহবুব-উল করিম। এ সময় তার সাথে ছিলেন- উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. সাইফুর রহমান, চকরিয়া থানার এসআই মাহবুবুর রহমান, বদরখালী নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. ইসমাইলসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
বদরখালী নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির আইসি মো. ইসমাইল জানান, প্রজনন মৌসুমে ইলিশ ধরার উপর ২২দিন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে সরকার। নিষেধাজ্ঞা জারি করা ১২ অক্টোবর থেকে গত ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত প্রতিনিয়ত অভিযান চালিয়ে জব্দ করা হয় প্রায় ৪৫ হাজার মিটার কারেন্ট জাল। এসব জাল জব্দের পর ইতিপূর্বে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার উপস্থিতিতে আগুনে পুড়ে ধ্বংস করা হয়েছে।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মাহবুব-উল করিম জানান, প্রজনন মৌসুমে ইলিশ ধরার বিরুদ্ধে সরকারের কঠোর নিষেধাজ্ঞা থাকলেও একশ্রেণির জেলে ও মৎস্য ব্যবসায়ী তা না মেনে উপকূলে কারেন্ট জাল বসিয়ে ইলিশ ধরায় নিয়োজিত থাকার খবর পেয়ে অভিযান চালানো হয়। এ সময় ৫ হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দের পর আগুনে পুড়ে ধ্বংস করা হয়।

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Like