আশরাফ আমার নাম প্রস্তাব করাই চমক: কাদের

তিনি বলেছেন, সাধারণ সম্পাদক হিসেবে সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের কাছ থেকে তার নামের প্রস্তাব আসাই ছিল এবারের সম্মেলনের বড় চমক।

দলের ২০তম জাতীয় সম্মেলনে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ার পরদিন সোমবার ধানমন্ডির একটি কমিউনিটি সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে আসেন কাদের।

দলের চার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব-উল আলম হানিফ, দীপু মনি, জাহাঙ্গীর কবির নানক ও আব্দুর রহমান ছিলেন তার দুই পাশে।

দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনার প্রত‌্যাশা অনুযায়ী কীভাবে দলকে গতিশীল করে এগিয়ে নিতে চান, তার একটি রূপরেখা সংবাদ সম্মেলনে তুলে ধরেন কাদের।

তিনি বলেন, সদ‌্যবিদায়ী সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের সাত বছরের অভিজ্ঞতা ও সুচিন্তিত দায়িত্ব পালন তাকে এই দায়িত্বে ‘অনুপ্রেরণা যোগাবে’।

কাউন্সিলে সাধারণ সম্পাদক পদে সম্ভাব‌্য চমক নিয়ে যে গুঞ্জন তৈরি হয়েছিল, সে বিষয়েও সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দেন কাদের।

তিনি বলেন, “চমক এটাই ছিল, সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম আমার নাম প্রস্তাব করেছে। এটাই হল শেখ হাসিনা।”

পঁচাত্তরে বঙ্গবন্ধু হত‌্যাকাণ্ডের পর বিরূপ সময়ে ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করা ওবায়দুল কাদের বলেন, “আমি আমার পরিশ্রমের পুরস্কার পেয়েছি। আমি আমার রাজনীতির জীবনের সর্বোচ্চ স্বীকৃতি পেয়েছি।… শেখ হাসিনা সর্বোচ্চ স্বীকৃতি আমাকে দিয়েছেন।”

‘মতান্তর হতে পারে, মনান্তর নয়’

শেখ হাসিনার দলে কোনো অনৈক‌্য, বিভেদ কখনো প্রশ্রয় পাবে না মন্তব‌্য করে নতুন সাধারণ সম্পাদক কাদের বলেন, বিদায়ী সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের সঙ্গে ‘পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতেই’ তিনি দলকে এগিয়ে নিতে চান।

“আজকেও কেবিনেট মিটিংয়ে তার সঙ্গে আমার আলাপ হয়েছে। আমার অবাক লাগল। তার সব কিছুই ইজি। হি ইজ ডেফিনিটলি ইজি। বিচলিত হওয়া বা কোনো প্রকার হতাশার ছবি আমি তার মুখমণ্ডলে দেখিনি। আগের কয়েকটি কেবিনেট মিটিং থেকে আজকে তাকে আরও প্রাণবন্ত মনে হয়েছে।”

এর কৃতিত্ব দল ও দলীয় সভাপতিকে দিয়ে তিনি কাদের বলেন, “এটাই আওয়ামী লীগের রাজনীতির মোটিভ। আমাদের মধ‌্যে কোনো বিষয়ে মতান্তর হতে পারে, তবে মনান্তর হবে না।”

-বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Like