সার্বিক নিরাপত্তায় প্রস্তুত পুলিশ

SP (1)নিজস্ব প্রতিবেদক, ০৩ সেপ্টেম্বর : কোরবানের ঈদকে সামনে রেখে কক্সবাজার জেলায় ৪৪ টি পশুর হাট বসতে শুরু করেছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন পোষাক মার্কেট মুখি হচ্ছে মানুষ। ঈদে সার্বিক আইন শৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষে নেয়া হয়েছে নানা উদ্যোগও। পশুর হাট ও মার্কেটে জাল টাকা শনাক্তে মেশিন বসানো ছাড়াও জোরদার করা হয়েছে সার্বিক টহল।

কক্সবাজারের পুলিশ সুপার শ্যামল কুমার নাথ জানিয়েছেন, ঈদুল আযাহা উপলক্ষ্যে পুলিশ সার্বিক নিরাপত্তার প্রস্তুতি নিয়েছে। মানুষ পশু হাটে পশু ক্রয়-বিক্রি করে নিরাপদে ঘরে ফিরতে যা যা করা প্রয়োজন তাই পুলিশ উদ্যোগ নিয়েছে।

তিনি জানান, ইতিমধ্যে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, পেশাজীবী প্রতিনিধিদের সাথে নিয়ে পুলিশ আলোচনা করেছে। একই সঙ্গে র‌্যাব সহ অন্যান্য আইন প্রয়োগকারি সংস্থার সাথেও আলাপ হয়েছে। এর প্রেক্ষিতে সড়ক- মহাসড়কে সার্বক্ষণিক টহল জোরদার রয়েছে। এলাকা ভাগ করে এই টহল জোরধার করা হয়েছে। একই সঙ্গে কমিউনিটি পুলিশ সহ বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবকও দায়িত্ব পালন করছে। বিশেষ করে বিভিন্ন পশুর হাট ও মার্কেট কেন্দ্রিক যানজট নিরসনে পুলিশের পাশাপাশি কমিউনিটি পুলিশ ও স্বেচ্ছাসেবকরা কাজ করছেন।

কোন অবস্থায় সড়কে পশুর হাট বসানো যাবে না উল্লেখ্য করে তিনি বলেন, সড়কে পশু হাট বসলে যানজট নিরসন জটিল হয়ে যাবে। তাই সড়কে কোন হাট বসতে দেবে না পুলিশ।

তিনি জানান, ইতিমধ্যে পুলিশের হাতে পৌঁছেছে জাল টাকার নোট শনাক্ত করণের মেশিন। এসব মেশিন বিভিন্ন থানায়, পুলিশ ফাঁড়িতে একটা করে থাকবে। এর বাইরে প্রতিটি পশুর হাটে থাকবে পুলিশের নিজস্ব বুথ স্থাপন করে জাল টাকার নোট শনাক্তের মেশিন স্থাপন করা হবে। হাট বাজার গুলোতে পুলিশের পোষাকধারী এবং সাদা পোষাকে নজরধারী থাকবে। জেলার গুরুত্বপূর্ণ মাকের্টেও থাকবে জাল টাকা শনাক্তের বুথ এবং পুলিশের নজরধারী।

কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন সূত্র থেকে পাওয়া তথ্য মতে, কক্সবাজারে পশু হাট বসানো হচ্ছে ৪৪ টি। যার মধ্যে স্থায় হচ্ছে ২১ টি, অস্থায়ী হচ্ছে ২৩ টি। এর মধ্যে কক্সবাজার সদরে ৫ টি, চকরিয়া উপজেলা ১০ টি, পেকুয়া উপজেলায় ২ টি, কুতুবদিয়া উপজেলায় ২ টি, মহেশখালী উপজেলায় ৬ টি, উখিয়া উপজেলায় ৬ টি, টেকনাফ উপজেলায় ৭ টি পশুর হাট রয়েছে। এসকল হাটবাজারের পাশাপাশি মাকের্ট সমুহে রয়েছে মানুষের অন্যান্য উপকরণ, প্রসাদনী ক্রয় করবে।

কক্সবাজারের পুলিশ সুপার শ্যামল কুমার নাথ জানান, সকল ক্ষেত্রে মানুষের নিরাপত্তার জন্য পুলিশ প্রস্তুত রয়েছে। শান্তিতে মানুষ ঈদ উপযাপন করতে পারবেন।

ঈদকে কেন্দ্র করে কক্সবাজারে পর্যটকরা ভ্রমণে আসবেন উল্লেখ্য করে পুলিশ সুপার জানান, পর্যটকের নিরাপত্তায়ও পুলিশের বাড়তি উদ্যোগ রয়েছে। ট্যুরিস্ট পুলিশকে সাথে নিয়ে সকল পর্যটন স্পটে নিরাপত্তার ব্যবস্থা থাকবে বলে জানান তিনি।

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Like