সালমান খানই খুনি, দাবি গাড়িচালকের

salman-khan_650x400_41469620791

বিনোদন ডেস্ক:  মুক্তি পেয়েও স্বস্তি মিলল না সালমান খানের। বিলুপ্তপ্রায় চিঙ্কারা হরিণ শিকার মামলায় শান্তি দীর্ঘস্থায়ী হলো না তার।

১৯৯৮ সালে সুরজবরজাতিয়ার ‘হাম সাথ সাথ হ্যায়’ ছবির শুটিং চলছিল যোধপুরে। সেই সময় ২৬ ও ২৮ সেপ্টেম্বর যোধপুরের সংরক্ষিত অরণ্যে একটি কৃষ্ণসার হরিণ ও একটি চিঙ্কারা হরিণকে হত্যা করা হয়। অন্যদের সঙ্গে সালমানই হরিণ দু‌’টি শিকার করেছেন বলে অভিযোগ ওঠে।

প্রমাণের অভাবে মামলা দু’টিতে অবশেষে বেকসুর খালাস পান সালমান। যদিও ২০০৬ সালে চিঙ্কারা হত্যায় দোষী সাব্যস্ত হন সালমান। তাকে পাঁচবছরের কারাদণ্ড দেয় একটি আদালত। এক সপ্তাহ জেলে থাকার পর তার অবশ্য জামিন হয়। তবে গত সোমবার রাজস্থান হাইকোর্টে সেই অভিযোগ থেকে অব্যাহতি পান সালমান খান।

বিচারপতি নির্মলজিৎ কৌর তখন বলেন, ‘সালমানের লাইসেন্সপ্রাপ্ত বন্দুকের গুলিতেই হরিণ দু‌’টির মৃত্যু হয়েছে, এমন কোনো প্রমাণ নেই।’

কিন্তু খালাস পাওয়া ঠিক দু’দিন পরই প্রকাশ্যে এলেন ওইদিন সালমানের সাথে থাকা ‘নিখোঁজ’ জিপচালক হরিশ দুলানি। প্রায় ১৪ বছর পর প্রকাশ্যে এলেন হরিশ দুলানি। ২০০২ সাল থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। এই হরিশই ছিলেন মামলাকারীর একমাত্র প্রত্যক্ষদর্শী।

১৯৯৮ সালে তিনি নিম্ন আদালতে জানিয়েছিলেন, সালমান খান কেবল জিপটি চালাচ্ছিলেন না, তিনি হরিণটিকে হত্যা করেছিলেন। এমনকী তিনি গাড়ি থেকে নেমে হরিণের মাথা আলাদা করেন। পরে আবার তিনি গাড়ি চালান।

যদিও মামলার শুনানির সময় আর দুলানির বয়ান রেকর্ড করা হয়নি। কারণ সালমানের আইনজীবীরা বলেছিলেন, দুলানিকে পাওয়া যায়নি। সেই দুলানি বুধবার একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলে বলেছেন, ‘১৮ বছর আগে যা বলেছি এখনও তাই বলছি। সালমান খানই হরিণটিকে মেরেছিলেন।’

তিনি আরও জানিয়েছেন, তার বাবাকে হুমকি দেয়া হয়। তাই উনি ভয়ে যোধপুর ছেড়ে চলে যান।

হরিশ জানিয়েছেন, উপযুক্ত নিরাপত্তা পেলে তিনি সব ফাঁস করে দেবেন। এবং তিনি সবসময়ই তা চেয়েছেন।

-বাংলামেইল২৪ডটকম

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Like