‘আনসারুলের ওপর ধারালো অস্ত্রের নৃশংসতার ভয়াবহতা’

mamun-dead-sm20160707202753

জাতীয় ডেস্ক :  কিশোরগঞ্জ সদরে আজিমুদ্দিন হাইস্কুল সংলগ্ন এলাকায় দুর্বৃত্তদের হাতবোমা বিস্ফোরণে পুলিশ কনস্টেবল আনসারুল যখন মৃত্যু যন্ত্রণায় ছটফট করছেন তখনো রেহাই মেলেনি তার। মরণদশাগ্রস্ত মানুষটির ওপর ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলে পড়ে দুর্বৃত্তরা।

তার মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করে ঘাতকরা। নৃশংসতার এমন ভয়াবহতার আভাস পাওয়া গেছে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে ময়না তদন্তকারী চিকিৎসকের কাছ থেকে।

বৃহস্পতিবার (০৭ জুলাই) দুপুরে তার ময়না তদন্ত সম্পন্ন হয়। হাসপাতালের ময়না তদন্তকারী চিকিৎসক স্বপ্না কুণ্ডু জানান, ফুসফুসে স্প্লিন্টারের আঘাত ছাড়াও আনসারুলের মাথায় ধারালো অস্ত্রের কোপ রয়েছে। তার ডান পা ও বাম হাতের কব্জিও ভাঙা ছিল।

তবে ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মঈনুল হক বাংলানিউজকে জানান, স্প্লিন্টারের আঘাতে আনসারুলের ফুসফুসে অতিরিক্ত রক্তপাত হচ্ছিল। ময়মনসিংহ সেনানিবাসের সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের (সিএমএইচ) চিকিৎসক তার মৃত্যুর কারণ হিসেবে এ বিষয়টি আমাদের বলেছেন।

ময়না তদন্তের সময় উপস্থিত জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমারত হোসেন গাজী জানান, আনসারুলের মাথায় ধারালো কিছুর আঘাত ছিল বলে ধারণা করছি। কারণ মাথার ওই অংশটুকু ফাঁটা ছিল।

-বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Like