মাহির ‘আগের’ বিয়ের কাবিননামা আদালতে

2016_05_31_18_52_50_eU5LwXmsIjGiYbnTGKkP1vrI4xo087_original

বিনোদন ডেস্ক:  চিত্রনায়িকা শারমিন আক্তার নীপা ওরফে মাহিয়া মাহির সঙ্গে শাহরিয়ার ইসলাম ওরফে শাওনের বিয়ের প্রমাণ হিসেবে কাবিননামা আদালতে উপস্থাপন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার ঢাকার মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট মাজহারুল ইসলামের আদালতে এ কাবিননামা উপস্থাপন করেন শাওনের আইনজীবী মো. বেলাল হোসেন।

এদিকে ২ দিনের রিমান্ড শেষে শাওনের পুনরায় ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হলে বিচারক তা নাকচ করে শাওনকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

সাইবার সিকিউরিটি অ্যান্ড ক্রাইম বিভাগ সোসাল মিডিয়ার এসআই সোহরাব মিয়া এই ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন।

বিয়ে সম্পর্কে আইনজীবী বেলাল জানান, ২০১৫ সালের ১৫ মে মাহিয়া মাহির সঙ্গে পারিবারিকভাবে শাওনের বিয়ে হয়। বাড্ডা কাজী অফিসের কাজী মোহাম্মাদ সালাহউদ্দিন এই বিয়ে পড়ান। তাই তিনি তার স্ত্রী হওয়ায় মুসলিম আইন অনুযায়ী স্বামী বর্তমান থাকায় তিনি দ্বিতীয় বিয়ে করতে পারেন না। যেহেতু বৈধভাবে বিয়ে হয়, তাই মামলাটি করা বেআইনি হয়েছে।

এর আগে গত ২৭ মে রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায় তথ্যপ্রযুক্তি আইনে মাহিয়া মাহি এই মামলাটি করেন। এরপর গ্রেপ্তার হয় শাওন।

মামলায় বলা হয়, গত ২৫ মে সিলেটের এক ব্যবসায়ীর সঙ্গে মাহির বিয়ে হয়। ২৭ মে বন্ধু শাহরিয়ার আলমের সঙ্গে মাহির কিছু ছবি কয়েকটি অনলাইন নিউজপোর্টাল এবং ফেসবুকের মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়া হয়। এ অবস্থায় দাম্পত্য সম্পর্ক নষ্ট ও তাকে সামাজিকভাবে হেয় করতে তারা এসব করছেন। শাহরিয়ারসহ তার বন্ধু হাসান, আলামিন, খাদেমুল ও শাহরিয়ারের খালাতো ভাই রেজওয়ান জড়িত বলে মাহির ধারণা।

সূত্র জানায়, নায়িকা মাহির সঙ্গে স্কুলজীবন থেকে শাওনের পরিচয়। তারা উত্তরায় একই স্কুলে লেখাপড়া করেন। মাহির সঙ্গে বন্ধুত্বের সম্পর্ক ধরেই একসময় তাদের মধ্যে প্রেম হয়। দু’জনের মধ্যে সে সময় অন্তরঙ্গ সম্পর্কও ছিল। গত ২৫ মে সিলেটের দক্ষিণ সুরমার কদমতলী এলাকার ব্যবসায়ী মাসুদ পারভেজ অপুর সঙ্গে মাহির বিয়ে হয়। এতে শাওন ক্ষুব্ধ হয়ে মাহিকে স্ত্রী দাবি করে তার সঙ্গে তোলা অন্তরঙ্গ ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেন। রিমান্ডে মাহিকে বারবার স্ত্রী বলে দাবি করলেও কোনো কাবিননামা দেখাতে পারেননি শাওন।

-বাংলামেইল২৪ডটকম

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Like