‘স্ত্রীর পরিকল্পনায় খুন হয় জামিল’

chak-bazar-sm20160503152050দেশ ডেস্ক :  পরকীয়ার বাধা দূর করতেই জামিলকে হত্যার পরিকল্পনা করেন তার স্ত্রী মৌসুমি। দুধের সঙ্গে চেতনানাশক ওষুধ খাইয়ে অচেতন করা হয় জামিলকে। তারপর দুই সহযোগীকে নিয়ে বটি ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। পরে মরদেহ বস্তাবন্দি করে লুকিয়ে রাখা হয় বাসার খাটের নিচে।

এ ঘটনায় ঘাতক স্ত্রীকে আটক করেছে চকবাজার থানা পুলিশ। পুলিশের হাতে আটকের পর এভাবে খুনের রোমহর্ষক বর্ণনা দেন জামিলের স্ত্রী মৌসুমি।

চকবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) মুরাদুল ইসলাম  বলেন, স্ত্রী মৌসুমির পরিকল্পনায় আরো দু’জন এ হত্যাকাণ্ডে অংশ নেয়। তিনজন মিলে বটি ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে এ হত্যাকাণ্ড ঘটায়।

নিহতের ভগ্নিপতি আনোয়ার  জানান, ৭ বছর আগে বিয়ে করেন তারা। জামিল ও মৌসুমির ঘরে তাজ নামের পাঁচ বছরের একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। সম্প্রতি মৌসুমি পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ে। আর এ কারণে তাদের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া বিবাদ হতো।

তিনি বলেন, জামিলকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না বলে শ্বাশুড়ি মোরা বেগম সোমবার (০২ মে) রাতে আমাকে ফোন দেন। ঘটনা সন্দেহ হওয়ায় আমি রাতেই তাদের বাসায় গিয়ে খোঁজাখুজি করে খাটের নিচ থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় জামিলের মরদেহ পাই। পরে পুলিশকে খবর দিলে তারা এসে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মিটফোর্ড হাসপাতালের মর্গে নিয়ে যায়।

জামিল হোসেন চকবাজার রহমতগঞ্জের ১৭৭ ওয়াটার ওয়াক রোডের সফি আহমেদের ছেলে। তিনি পরিবার নিয়ে একই রোডের কালাম মিয়ার ৫ তলা বাড়ির ২য় তলায় ভাড়া থাকতেন। তার একটি স্কচটেপ কারখানা আছে।

জামিলের পরিবারের অন্য সদস্যরা ভারতে বসবাস করেন বলে পারিবারিক সূত্রে জানা যায়।

-বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Like