বিরামপুর জেলা ঘোষণার দাবিতে মহাসমাবেশ

news.pic-zilla

দিনাজপুর প্রতিনিধি, কক্সবাজারটাইমসডটকম:দিনাজপুর ১৩টি উপজেলার মধ্যে দক্ষিণাঞ্চলের ৬ টি উপজেলা :- বিরামপুর, ফুলবাড়ি, পার্বতীপুর, ঘোড়াঘাট, হাকিমপুর ও নবাবগঞ্জ কে নিয়ে গণমানুষের সুদীর্ঘ ৩৮ বছরের প্রাণের দাবীতে বিরামপুর নামে নতুন জেলার দাবিতে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৮ই এপ্রিল (সোমবার) দিনব্যাপী বিরামপুর সম্মিলিত পেশাজীবী ঐক্য পরিষদের আয়োজনে বিরামপুরের ঢাকামোড়ে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

এতে ঐ ৬ উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা মানুষ ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ সাধারন জনতার সমাগমে মহাসমাবেশটি জনসমুদ্রে রূপ নেয়। এ সময় জনতা বিরামপুরকে জেলা ঘোষণার দাবিতে প্রধান সড়কে অবস্থান নিলে দিনাজপুর-ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কে ৩ ঘন্টার জন্য যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে স্থানীয় সংসদ সদস্যের আশ্বাসে সমাবেশ শেষে সড়ক থেকে সরে যায় জনতা।

এদিকে, বিরামপুরকে জেলা ঘোষণার দাবির স্বপক্ষে সকাল থেকেই সাধারণ মানুষ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, দোকানপাট, অফিস, স্কুল-কলেজ বন্ধ রেখে সমাবেশে যোগ দেন। এ সময় শিক্ষার্থীদের হাতে দাবি সম্বলিত ব্যানার-ফেস্টুন দেখা যায়।

বিরামপুর সম্মিলিত পেশাজীবী ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন দিনাজপুর -৬ আসনের সংসদ সদস্য শিবলী সাদিক।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, ৩৮ বছর ধরে দিনাজপুর দক্ষিণাঞ্চলের ৬ উপজেলার মানুষ বিরামপুরকে জেলা ঘোষণার দাবিতে আন্দোলন করে আসছে। বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার এই দাবির প্রতি গুরুত্ব দিয়ে বিরামপুরকে জেলা ঘোষণা করবেন বলে তারা প্রত্যাশা করেন। আর দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা শান্তিপূর্ণ আন্দোলন সংগ্রাম চালিয়ে যাবেন।
এ সময় বক্তব্য রাখেন প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, ১১ দিনাজপুর-৬ আসনের মাননীয় জাতীয় সংসদ সদস্য শিবলী সাদিক, বিরামপুর পৌরমেয়র লিয়াকত আলী সরকার টুটুল, হাকিমপুর পৌরমেয়র জামিল হোসেন চলন্ত, হাকিমপুরের সাবেক মেয়র কামাল হোসেন রাজ,জেলা ন্যাপের সভাপতি আজিজ সরকার, বিরামপুর জেলা বাস্তবায়নের সাবেক সভাপতি এ্যাডঃ মওলা বক্স, ঘোড়াঘাট আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক রাফে খন্দকার শাহেন শাহ, দিনাজপুর দক্ষিণাঞ্চল উন্নয়ন ফোরামের সাধারন সম্পাদক লায়ন মোজাম্মেল হক, বিরামপুর বিএনপির সাধারন সম্পাদক কমর সেলিম সহ আরো অনেকেই।

এ দিকে নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনে পুলিশের ভূমিকা ছিল প্রশংসার দাবিদার।

বিরামপুর থানার ওসি মোঃ আমিরুজ্জামান জানায়, গণ মানুষের দাবির শান্তিপুর্ণ নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনে পুলিশের শ্রদ্ধা রয়েছে। এ ব্যাপারে আমাদের সহযোগিতার দ্বার খোলা রয়েছে। আন্দোলনরত সকলে যেন কোন কর্মসুচী শান্তিপুর্ণ ভাবে পালন করবে বলে আশা করেন ঐ কর্মকর্তা।

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Like