অবশেষে কারামুক্ত মির্জা আব্বাস

আইন-আদালত ডেস্ক : প্লট বরাদ্দে অনিয়মের অভিযোগসহ সব মামলায় জামিন হওয়ায় কারামুক্ত হলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মির্জা আব্বাস। আব্বাসের জামিনের আদেশের কপি কারাকর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছানোর পর রোববার সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে কারামুক্ত হন বিএনপির এ সিনিয়র নেতা। বিষয়টি জানিয়েছেন তার আইনজীবী অ্যাডভোকেট সগীর হোসেন লিওন।

লিওন বলেন, ‘আপিল বিভাগের জামিন আদেশের কপি কারাকর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছানোর পর রোববার সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে বারডেম হাসপাতাল থেকে মুক্ত হন আব্বাস। এসময় মির্জা আব্বাসের স্ত্রী আফরোজা আব্বাসসহ তার নিকটজনেরা উপস্থিত ছিলেন।

সাংবাদিকদের প্লট বরাদ্ধের অনিয়মের অভিযোগে শাহবাগ থানায় দায়ের করা দুদকরে মামলায় হাইকোর্ট থেকে জামিন জামিন আব্বাস। সে জামিন আদেশের কপি আপিল বিভাগে দেড়িতে পৌঁছানোর কারণে বার বার আব্বাসের জামিন স্থগিত বাড়ানো হয়। সম্প্রতি আপিল বিভাগ আব্বাসকে দেয়াকে জামিন আদেশ বহাল রাখায় এবং আদেশের কপি কারাগারে পৌঁছানোর পর আজ কারা মুক্ত হলেন আব্বাস।

সাংবাদিকদের প্লট বরাদ্দের অভিযোগে শাহবাগ থানায় দুদুকের দায়ের করা এ মামলায় গত ৯ মার্চ বুধবার হাইকোর্ট থেকে জামিন পান বিএনপির এ সিনিয়র নেতা।

দুদকের এ মামলাসহ মোট তিন মামলায় জামিন পাওয়ায় কারামুক্তিতে বাধা ছিলো না আব্বাসের। কিন্তু হাইকোর্টের দেয়া স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ আবেদন করায় তার কারমুক্তি আটকে যায়।

এর আগে বিচারিক আদালতে জামিন না পেয়ে তিনি হাইকোর্টে আবেদন করেন, সে আবেদনের শুনানি করে বিচারপতি রুহুল কুদ্দুসও বিচারপতি মাহমুদুল হকের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ ৯ মার্চ বুধবার তাকে জামিন দেন।

আব্বাসের আইনজীবী অ্যাডভোকেট সগীর হোসেন লিওন বলেছেন, ‘মির্জা আব্বাস মন্ত্রী থাকা অবস্থায় প্লট বরাদ্দের বিষয়ে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ এনে ২০১৪ সালে শাহবাগ থানায় একটি মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।’

ওই মামলায় জামিন চাইতে গিয়ে গত ৬ জানুয়ারি বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করেন আব্বাস। শুনানি করে বিচারক তাকে জামিননা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। বিচারিক আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে গত ৭ ফেব্রুয়ারি জামিন আবেদন করেন আব্বাস।

-বাংলামেইল২৪

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Like