সহিংসতা হলে রিটার্নিং অফিসার ও পুলিশ দায়ী

নিউজ ডেস্ক : ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত ও নির্ভয়ে ভোটাধিকার প্রায়োগ করতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। তবে কোনো কেন্দ্রে ভোট কারচুপি ও সহিংসতা হলে ওই কেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা (রিটার্নিং অফিসার) ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দায়ী হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী রকিব উদ্দিন আহমেদ।

সোমবার নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের মিডিয়া সেন্টারে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন নিয়ে এক বিফ্রিং তিনি এ কথা জানান।

কাজী রকিব উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘আগামীকালের নির্বাচনকে সুষ্ঠুভাবে করার জন্য জেলা, উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও প্রিজাইডিং অফিসারকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। কেন্দ্রে কেন্দ্রে পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। প্রয়োজনে আরো বাড়ানো হবে।’

তিনি বলেন, ‘কেন্দ্রে কেন্দ্রে থাকবে পুলিশ, বিজিবি, র‌্যাব, এপিবিএন, আনসার ব্যাটালিয়ন ও আনসার-ভিডিপির সদস্যরা। টহলে থাকবে মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স। প্রতিটি ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে ২০ জন আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর সদস্যও থাকবে।’

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে উদ্দেশ্য করে সিইসি বলেন, ‘ভোট চলাকালীন আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর কোনো সদস্য অনিয়ম ও পক্ষপাতিত্ব করলে আমরা তাৎক্ষণিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। কোনো কেন্দ্রে ভোট কারচুপি ও সহিংসতা হলে ওই কেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দায়ী থাকবে। তাই আপনারা (নির্বাচন সংশ্লিষ্টরা) আপনাদের সর্বশক্তি দিয়ে সুষ্ঠু পরিবেশে ভোট গ্রহণের ব্যবস্থা করবেন।’

এ সময় তিনি আরো বলেন, ‘সুষ্ঠু অবাধ নির্বাচনের জন্য প্রার্থী, তার সমর্থক, ভোটার ও অন্য সকলের সহযোগিতা কামনা করছি। সকলেই যাতে নির্ভয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে।’

বহিরাগতদের প্রবেশ ঠেকানোর নির্দেশ দিয়ে সিইসি বলেন, ‘বহিরাগতরা যেন সংশ্লিষ্ট নির্বাচনে এলাকায় প্রবেশ না করেন। অবৈধ অস্ত্র যেন ব্যবহার না করে। ভোটাররা যেন নির্ভয়ে ভোট দিতে পারেন তার জন্য আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।’

-বাংলামেইল২৪

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Like