যুদ্ধাপরাধীদের নাগরিকত্বও বাতিল দাবি ছাত্রলীগের

বুধবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের সামনে এক সমাবেশে এ দাবি জানিয়ে ছাত্রলীগ সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ বলেন, “যুদ্ধাপরাধী মীর কাসেম আলীর ফাঁসির রায় বহাল থাকায় দেশের ১৬ কোটি মানুষ আনন্দিত।

“যুদ্ধাপরাধীদের বিচার দ্রুত নিষ্পত্তি করে তাদের ফাঁসি কার্যাকর করতে হবে। তাদের নাগরিকত্বও বাতিল করতে হবে।”

একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধে জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতা মীর কাসেম আলীর ফাঁসির রায় আপিল বিভাগে বহালের প্রতিবাদে দলটির ডাকা হরতাল প্রতাখ্যান করে মিছিলের পর এ সমাবেশ করে ছাত্রলীগ।

সমাবেশে মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের সংখ্যা নিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার এবং জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে তারেক রহমানের বিতর্কিত মন্তব্যের সমালোচনাও করেন ছাত্রলীগ সভাপতি।

খালেদা জিয়াকে ‘জঙ্গিমাতা’ আখ্যায়িত করে তাকে বাংলাদেশে নিষিদ্ধের দাবিও জানান তিনি।

“খালেদা জিয়াকে বাংলাদেশ থেকে নিষিদ্ধ করতে হবে। তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাস করে না।”

সামবেশের আগে ঢাকা বিশ্বদ্যিালয়ের মধুর ক্যান্টিন থেকে হরতালবিরোধী একটি মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে চারুকলার সামনে শেষ হয়।

ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক এসএম জাকির হোসাইনের সঞ্চালনায় সমাবেশে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি আবিদ আল হাসান ও সাধারণ সম্পাদক মোতাহার হোসেন প্রিন্স।

জাকির হোসাইন বলেন, মীর কাসেম আলী ছিলেন জামায়াত ইসলামীর অর্থের যোগানদাতা। তার ফাঁসির রায় বহাল থাকায় গোটা জাতি আজ আনন্দিত। বিত্তশালী এই যুদ্ধাপরাধীসহ সব যুদ্ধাপরাধীর যাবতীয় সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে সরকারি কোষাগারে জমা দিতে হবে।

যুদ্ধাপরাধীদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নিষিদ্ধের দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, “জামায়াত শিবিরের কোনো দোসর যেন ক্যাম্পাসে নৈরাজ্য ও অস্থিরতা সৃষ্টি করতে না পারে সেজন্য ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীদের সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে।”

-বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Like