পরিচয় জানতে পুকুরের ‘ইলিশ’ গেল চাঁদপুর

মৎস্য বিভাগ বলছে, পুকুরে ইলিশ সম্ভব নয়। তারপরও জনতার আগ্রহ দেখে তিনটি মাছ পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে চাঁদপুর ইলিশ গবেষণা কেন্দ্রে।

সদর উপজেলার আংগারিয়া ইউনিয়নের চরচটাং গ্রামে মো. হাবিবুর রহমান মাদবরর পুকুরে রুই, কাতলা, তেলাপিয়া, সিলভার কার্পসহ নানা প্রজাতির মাছ চাষ করেন।

গত সোমবার ওই পুকুরে জাল ফেললে ইলিশের মতো দেখতে দুটি মাছ ধরা পড়ে। এরপর শুক্রবার সকালে আবার একই ধরনের মাছ পাওয়া যায়।

খবরটি ছড়িয়ে পড়লে এলাকার উৎসুক সেখানে ভিড় জমায়। সদর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. সিরাজুল ইসলামও উপস্থিত হন ওই গ্রামে।

মৎস্য কর্মকর্তার উপস্থিতিতে জাল ফেললে দুই দফায় আরও গোটা বিশেক মাছ ধরা পড়ে।

মাছ চাষি মো. হাবিবুর রহমান মাদবরর বলেন, গত বর্ষায় ড্রেজারের সাহায্যে তিনি পুকুরটি খনন করান। এরপর কয়েক জাতের মাছ চাষ করেন।

শরীয়তপুর সদর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, পুকুরটি যে ড্রেজার দিয়ে খনন করা হয়েছে সেটি আড়িয়াল খাঁ নদীতে খনন কাজে ব্যবহৃত হয়েছিল।

“আমাদের বিজ্ঞানের ভায়ায় কোনো পুকুরে ইলিশ মাছ হওয়া সম্ভব নয়। তবে মাছটি আকার আকৃতি ও ঘ্রাণে ইলিশের মতো।”

তাই পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য চাঁদপুর ইলিশ গবেষণা কেন্দ্রে তিনটি মাছ পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Like