স্বয়ংসম্পূর্ণতার পর নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে জোর দিচ্ছে সরকার

বাংলামেইল : সারা বিশ্বে খাদ্য উৎপাদনে ১০ম স্থানে বাংলাদেশ। স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের পর নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতের প্রতি জোর দিয়েছে সরকার। আর এক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থাই নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম। সোমবার রাজধানীর বিদ্যুৎ ভবনে ‘বাংলাদেশের খাদ্য পরীক্ষাগার সম্পর্কিত’ দিনব্যাপী এক কর্মশালায় তিনি এ কথা বলেন।

বাংলাদেশে উৎপাদিত খাদ্যপণ্যের গুণগতমান আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উন্নীত করতে বিদ্যমান খাদ্য পরীক্ষাগারগুলোর আধুনিকায়ন ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে করণীয় নির্ধারণ নিয়ে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড (বিএবি), বাংলাদেশ ফুড সেফটি অথরিটি (বিএফএসএ) ও জাতিসংঘের ফুড অ্যান্ড এগ্রিকালচার অর্গানাইজেশন (এফএও) যৌথভাবে এই কর্মশালার আয়োজন করে।

কামরুল ইসলাম বলেন, ‘এক সময় আমরা বিদেশ থেকে খাদ্য আমদানি করতাম। এখন দেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছে এবং আমরাই এখন বিদেশে বিভিন্ন খাদ্য রপ্তানি করছি।’

তিনি বলেন, ‘খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের পর সরকারের দায়িত্ব দেশের জনগণের জন্য নিরাপদ খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করা। তাই দেশে নিরাপদ খাদ্য সরবরাহের জন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেয়া হবে। নিরাপদ খাদ্য সরবরাহের জন্য আইন করা হয়েছে। এখন আইনটির দ্রুত বাস্তবায়নে সরকার প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থাই গ্রহণ করবে।’

বাংলাদেশ খাদ্য উৎপাদনে ১০ম দেশ উল্লেখ করে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে খাদ্য, কৃষি, স্বাস্থ্য, আইসিটিসহ সব খাতে বাংলাদেশ সফলতা লাভ করেছে। তাই সরকার এখন জনগণের জন্য নিরাপদ খাদ্য সরবরাহের বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করছে।’

কর্মশালায় খাদ্য পরীক্ষাগার, গবেষণাগার, মান বিষয়ক নীতিনির্ধারক সংস্থা ও উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাবিদসহ ২ শতাধিক প্রতিনিধি অংশ নেয়। এবং দেশের খাদ্য পরীক্ষাগার ও গবেষণাগারগুলোর সক্ষমতা ও দুর্বলতা চিহ্নিত করার পাশাপাশি এগুলোকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার কর্মকৌশল নির্ধারণ করা হয়। এর ফলে দেশে নিরাপদ খাদ্যের সরবরাহ বৃদ্ধিসহ খাদ্য নিরাপত্তা জোরদার হবে বলে আশা করেছেন আয়োজকরা।

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Like