অ্যালার্জি থেকে মুক্তির উপায়

স্বাস্থ্য ডেস্ক: বসন্তের এই হাওয়াতে উড়ছে প্রচুর পরিমাণে ধুলাবালি। বাইরে একটু বের হলে বা ঘরের কাজ করার পর প্রায়ই সর্দি লেগে যায়। নাক-চোখ চুলকায় কিংবা হাঁপানির সমস্যা হয়, পুরো শরীরেও চুলকানি হতে পারে। সব সমস্যার পেছনে দায়ি ধুলিকণা থেকে অ্যালার্জি। তবে একটু সচেতনতাই এমন কষ্ট থেকে মুক্তি দিতে পারে। জেনে নিন কিভাবে-

পরিষ্কার বিছানা: মাঝে মাঝেই নাক বন্ধ থাকে অথবা ঠাণ্ডা লাগে। কোনো ওষুধ খেয়েও লাভ হয় না। এমনকি বিছানায় শুয়ে থেকেও ঠিকমতো বিশ্রাম নেয়া যায় না, বরং কষ্টটা বেড়ে যায়। এসব সমস্যার জন্য দায়ি করা যায় বিছানায় থাকা ধুলোবালি, ছারপোকা, যা সাধারণ চোখে দেখা যায় না। তাই যতক্ষণ এগুলো পুরোপুরি পরিষ্কার না হবে, ততক্ষণ অ্যালার্জির কষ্ট থাকবেই।

ধুলা এড়িয়ে চলা: অ্যালার্জির কারণে সবসময় সর্দি ভাব থাকে, চোখ দিয়ে পানি পড়ে। এই কষ্ট বেশ নিয়মিতভাবে হয় এবং কখনই একেবারে সেরে যায় না। পরে এক সময় হাঁপানিতেও পরিণত হতে পারে। তাই বাইরে বের হলে অবশ্যই নাকমুখ ঢেকে চলাফেরা করতে হবে। এক্ষেত্রে মুখে মাক্স ব্যবহার করা যেতে পারে। ঘরের কোনো কাজ করতে হলেও নাকমুখ ঢেকে করা ভালো। তাহলে সমস্যা কিছুটা রোধ করা যাবে।

ঘরের পর্দা পরিষ্কার: ধুলিকণার অ্যালার্জি থেকে দূরে থাকতে নিয়মিত বাড়ির দরজা, জানালার পর্দা ধুতে হবে। সম্ভব হলে পর্দা তৈরির জন্য এমন কাপড় কিনতে হবে, যা সহজে ধোয়া যায়। তাছাড়া পর্দার কাপড় হওয়া ভালো, তাতে ধুলোবালি কম জমে।

খেলনা: পশমী কাপড়ের খেলনাগুলো দেখলেই কেমন যেন আদর করতে ইচ্ছে করে। এসব খেলনা অনেক শিশুই হাতে রাখে বা বিছানায় নিয়ে ঘুমায়। বড়রাও অনেকে শখের বসে বিছানায় বা সোফায় পুতুল রাখেন। যত আদরের খেলনাই হোক না কেন, এগুলোতে কিন্তু অনেক ধুলো আটকে থাকে। তাই সুস্থ থাকতে এগুলোকে আগেভাগেই বিতাড়িত করে দিন।

চিকিৎসা: যাদের সর্দি, নাকবন্ধ, চোখ দিয়ে জল পড়া, হাঁপানি, শুকনো কাশি নিয়মিতভাবে হয়, তাদের অবশ্যই অ্যালার্জি পরীক্ষা করা জরুরি। ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবস্থা নিলে সমস্যা এড়িয়ে চলা সম্ভব।

-বাংলামেইল

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Like