উখিয়ায় মাদ্রাসা নিমার্ণ নিয়ে উত্তেজনা

নিজস্ব প্রতিবেদক, উখিয়া
কক্সবাজারটাইমসডটকম, ১৪ ফেব্রুয়ারি

imagesউখিয়ায় একটি মাদ্রাসা নির্মাণের ঘটনাকে কেন্দ্রকে করে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসীর মিছিলে পুলিশ লাঠিচার্জ করেছে। এ সময় ৭জনকে আটকও করা হয়।রোববার সকাল ১১টায় উখিয়া ষ্টেশনে এঘটনা ঘটে।

পুলিশও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার রতœাপালং ইউনিয়নের চাকবৈঠা করইবনিয়া গ্রামে দারুল হিকমাহ নামে একটি নূরানী মাদ্রাসা ও হেফজ খানা প্রতিষ্ঠা করা হয়। এর নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে রয়েছে বিরোধ।

এ সময় উত্তেজনা দেখা দিলে উখিয়া উপজেলা নির্বাহী মোঃ মাঈন উদ্দিন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি অধ্যক্ষ হামিদুল হক চৌধুরী ও উখিয়া থানার ওসি হাবিবুর রহমান বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার উভয়পক্ষকে নিয়ে শালিসী বৈঠকে বসেন। এক পর্যায়ে বিচারকরা উভয়পক্ষকে এলাকার শান্তি বিনষ্ট না করার আহবান জানান।

এ ঘটনা নিয়ে মাদ্রাসা বিরোধী পক্ষ রোববার সকালে উখিয়া ষ্টেশনে একটি মিছিল বের করেন। উত্তেজিত লোকজন থানা ঘেরাও করার চেষ্টা চালালে পুলিশ লাঠিচার্জ করে ৭জনকে আটক থানায় নিয়ে আসেন।

আটকরা হলেন, চাকবৈঠা গ্রামের মৃত আব্দুল করিমের ছেলে নুরুল ইসলাম (৫০), রাজাপালং ইউনিয়নের শিলের ছড়ার মৃত গুরা মিয়ার ছেলে আমির শরীফ (৪৫), ডিগলিয়া গ্রামের রোহিঙ্গা বংশদূত হাজী জামাল হোসেনের ছেলে আনোয়ার হোসেন (৪২), মাস্টার রশিদ আহমদের ছেলে মুসলেম উদ্দিন, মৃত হাজী আছমত আলীর ছেলে শামসুল আলম, মৃত শফর মুল্লুকের ছেলে শফিউল আলম, নুরুল ইসলামের ছেলে মোঃ নুর।

পরে আটক ৬ জনকে উখিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি হামিদুল হক চৌধুরীর বিশেষ অনুরোধে পুলিশ ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়। রোহিঙ্গা আনোয়ারকে সোমবার সকালে জেলহাজতে পাঠানো হবে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

উখিয়া থানার ওসি হাবিবুর রহমান জানান, এ ঘটনায় থানায় একটি মামলা রুজুর প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং আনোয়ারকে জেলহাজতে পাঠানো হবে।

উখিয়া উপজেলা নির্বাহী মোঃ মাঈন উদ্দিন জানান, এ বিষয়ে খোঁজ খবর নেওয়া হচ্ছে।

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Like