সাজা শেষে তিন বাংলাদেশিকে ফেরত দিয়েছে মিয়ানমার

teknaf pic 7-2-16নিজস্ব প্রতিবেদক, টেকনাফ, কক্সবাজারটাইমসডটকম, ০৭ ফেব্রুয়ারি : কারাগারে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা ভোগ শেষে তিন বাংলাদেশীকে ফেরত দিয়েছে মিয়ানমার।
বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবির সঙ্গে মিয়ানমার ইমিগ্রেশন বিভাগের মধ্যে রোববার সকাল ১১ টায় অনুষ্ঠিত পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে তাদের ফেরত দেয়া হয় বলে জানান বিজিবির টেকনাফ ২ ব্যাটালিয়নের উপ-অধিনায়ক মেজর আবু রাসেল সিদ্দিকী।
বিজিবি ও মিয়ানমার ইমিগ্রেশন বিভাগের ব্যাটালিয়ন পর্যায়ে এ পতাকা বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয় মিয়ানমারের আকিয়াব জেলার মংডু শহরের ১ নম্বর এন্ট্রি পয়েন্টে। এতে বিজিবির টেকনাফ ২ ব্যাটালিয়নের উপ-অধিনায়ক মেজর আবু রাসেল সিদ্দিকীর নেতৃত্বে ১০ সদস্যের বাংলাদেশের প্রতিনিধি দল এবং মিয়ানমার ইমিগ্রেশন বিভাগের ডেপুটি ডাইরেক্টর ইউ মে মেথিং অং এর নেতৃত্বে ১২ সদস্যের প্রতিনিধি দল অংশগ্রহণ করেন।
ফেরত আনা বাংলাদেশীরা হলেন, বরগুনা জেলার তালতলা এলাকার সানু গাজীর ছেলে মো. আব্দুর রব গাজী (৪৫), কক্সবাজারের উখিয়ার দরগাহবিল হাতিমুরা এলাকার মো. কালুর ছেলে আবুল কালাম (৪০) ও টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের লেদা এলাকার মো. সুলতান আহমদের ছেলে মো. সালেহ আহমেদ (৪২)।
রোববার দুপুর ১টার দিকে বিজিবির টেকনাফ সীমান্ত ফাঁড়ী জেটি ঘাট দিয়ে ৩ বাংলাদেশীকে ফেরত আনা হয়। এর আগে সকাল ১০টায় একই জেটি ঘাট দিয়ে পতাকা বৈঠকে অংশগ্রহণ করতে মিয়ানমার যান।
বিজিবির টেকনাফ ২ ব্যাটালিয়নের উপ-অধিনায়ক মেজর আবু রাসেল সিদ্দিকী বলেন, ২০০১ সালে মানবপাচার চক্রের খপ্পরে পড়ে ফেরত আসা ৩ বাংলাদেশী পাচারের শিকার হয়েছিল। তাদের সাগরের মিয়ানমারের জলসীমা থেকে ওই বছর দেশটির নেী-বাহিনী ট্রলার সহ আটক করে। পরে মিয়ানমার অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে তাদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেয়।
মিয়ানমারের কারাগারে আরও বেশ কিছু বাংলাদেশী নাগরিক আটক রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, তাদেরও পর্যক্রমে ফেরত আনা হবে।
ফেরত আনা বাংলাদেশী নাগরিকদের স্বজনদের কাছে পৌঁছে দিতে টেকনাফ মডেল থানা পুলিশের কাছে তাদেরকে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানান বিজিবির কর্মকর্তা মেজর আবু রাসেল।

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Like