রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা সরকার পতনের কফিনে শেষ পেরেক

বাংলামেইল : বিএনপি চেয়ারপারসনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা সরকার পতনের কফিনে শেষ পেরেক বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।

শনিবার দুপুরে রাজধানীর ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা তুলে নেয়ার দাবিতে অনুষ্ঠিত এক প্রতিবাদ সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন। সমাবেশের আয়োজনে করে ঢাকা মহানগর জাগপা।

নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘জনগণকে বিভ্রান্ত করার জন্য খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা করা হয়েছে। এ মামলায় তার সাজা হবে না। তারপরেও সরকার অপচেষ্টা করছেন। এ সরকার মামলাবাজ সরকার। যত অত্যাচার করুন না কেন জনগণের বিচার হল শেষ বিচার। খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা এদেশের জনগণ মেনে নিবে না। জনগণ জেগে উঠলে এ সরকারের পতন অনিবার্য।’

তিনি বলেন, ‘সরকার খালেদা জিয়াকে ভয় পায়। তাই একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে যাচ্ছে।  সরকারের উদ্দেশ্য খালেদা জিয়াকে রাজনীতি করতে দিবে না। তিনি গণতন্ত্রের রক্ষাকারী এবং দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেত্রী। তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা মেনে নেয়া যায় না।’

বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘সাবেক প্রধানমন্ত্রী তাজ উদ্দীন আহমেদ, এম আর আক্তার মুকুলসহ অনেক বুদ্ধিজীবী অনেক সময়ে মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের সংখ্যা একেক রকম উল্লেখ্য করেছেন। খালেদা জিয়া তো কোনো সংখ্যা উল্লেখ্য করে নাই। তাহলে তো খালেদা জিয়ার আগে তাদের নামে মামলা করা উচিৎ। শেখ মুজিব তো যুদ্ধের পরে মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা তৈরি করার জন্য কমিটি গঠন করেছিলেন। এমনকি প্রতি পরিবারকে দুই হাজার টাকা দেয়ার ঘোষণা করেছিলেন। তারপরেও ১ লাখ ২০ হাজার মুক্তিযোদ্ধাদের নাম পাওয়া গিয়েছিল।’

সরকারের সমালোচনা করে নজরুল ইসলাম বলেন, ‘এ সরকার হামলা-মামলা বাজ, দুর্নীতি ও গণতন্ত্র হত্যাকারী সরকার।  খালেদা জিয়ার বক্তব্য রাষ্ট্রদ্রোহিতার কোনো লেশ মাত্র নেই। অনেক বড় বড় আইনজীবীরাও বলেছেন খালেদা জিয়ার বক্তব্য রাষ্ট্রদ্রোহ হয় নাই। তারপরেও সরকার এ মামলার অনুমোদন দিয়েছে। শুধু মাত্র জনগণকে বিভ্রান্ত করার জন্য।’

নগর জাগপার সভাপতি আসাদুর রহমান খানের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন, জাগপার সভাপতি শফিউল আলম প্রধান, সাধারণ সম্পাদক খন্দকার লুৎফর রহমান প্রমুখ।

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Like