চাকরির কথা বলে কিশোরীকে বাসায় আটকে দেহব্যবসা

rape-ed

প্রতীকী ছবি

তারা হল- খলিলুর রহমান মামুন (৩৫), সাথী আক্তার (২০) ও হাতেম আলী (৪০)।

দক্ষিণখান থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জাহাঙ্গীর আলম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, শুক্রবার সন্ধ্যায় আজমপুর কাঁচাবাজার সংলগ্ন ১০ নম্বর রোডের ‘নূর মহল’ নামের ১০ তলা ভবনের ষষ্ঠ তলার এক ফ্ল্যাট থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

“খলিলুর রহমান মামুনের স্ত্রী হিসেবে পরিচয় দিতেন সাথী। তারা আজমপুরে ওই ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়েছিলেন। ওই কিশোরী এক সময় বাড্ডার এক গার্মেন্টে কাজ করতেন; কয়েক মাস ধরে বেকার ছিলেন।

“সাথী তাকে গৃহকর্মীর কাজ দেওয়ার কথা বলে ওই বাসায় নিয়ে যান। এরপর মামুন তাকে আটকে রেখে জোর করে ১৭ জানুয়ারি থেকে যৌনকর্মী হিসেবে কাজে বাধ্য করেন।”

পুলিশ কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, মামুন ও সাথীর এ কাজে ভবনের দারোয়ান হাতেম আলী সহায়তা করতেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

তিনি বলেন, “ওই কিশোরী তার কাছে আসা এক ‘খদ্দেরের’ মোবাইল ফোন থেকে পূর্বপরিচিত ফিরোজ নামের একজনকে শুক্রবার ফোন করে জানান, তাকে আটকে রাখা হয়েছে; পতিতাবৃত্তিতে বাধ্য করা হচ্ছে।

“ফিরোজ বিষয়টি দক্ষিণখান থানায় জানালে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই কিশোরীকে উদ্ধার ও তিনজনকে গ্রেপ্তার করে।”

এসআই জাহাঙ্গীর জানান, রাতে ওই কিশোরী দক্ষিণখান থানা পুলিশের হেফাজতে ছিলেন। শনিবার দুপুরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসিতে নেওয়া হয়। আসামিদের আদালতে পাঠিয়ে একদিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে।

থানার ওসি সৈয়দ লুৎফর রহমান বলেন. “এ ঘটনায় আরও কারা জড়িত তা জানতে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।”

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Like