হামলাকারীরা গোয়েন্দা নজরদারীতে

বাংলামেইল : মাদরাসা ছাত্রের মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে হামলাকারীরা গোয়েন্দা নজরদারীতে রয়েছে। মাদরাসা কর্তৃপক্ষ ও বিএনপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে হামলার সঙ্গে তাদের কেউ জতি নয়। তাই হামলাকারীদের সনাক্ত করতে চলছে গোয়েন্দা নজরদারী।

গোয়েন্দা সংস্থাগুলো খুঁজছে ঘটনার নেপথ্যে কারা জড়িত। ছাত্রদের পাশাপাশি বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় ও ব্যাক্তি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানে হামলাকরীরা অন্য কোনো উদ্দেশ্যে হামলা করেছে কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

পুলিশ জানায়, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এক মাদরাসা ছাত্রের মৃত্যুর প্রতিবাদে তাণ্ডব চালিয়েছিল ছাত্র-শিক্ষকরা। তাদের তাণ্ডবে সেদিন পুরো শহর রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছিল। হামলার সময় তারা বিভিন্ন রেলস্টেশন, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, যানবাহন, আওয়ামী লীগ অফিস, মুক্তিযোদ্ধা অফিস, একটি বেসরকারি ব্যাংক, বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন, শহীদ ধীরেন্দ্র নাথ দত্ত ভাষা চত্বর, প্রশিকা মানবিক উন্নয়ন কেন্দ্র ও কয়েকটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে।

তবে মাদরাসা শিক্ষক ও ছাত্রদের পাশপাশি হামলার সময় কিছু সাধারণ লোকজনকেও অংশ নিতে দেখা গেছে। তারা প্রকাশ্যে সংঘর্ষে জড়িত ছিল। তাই সংঘর্ষে কারা ইন্ধন দিয়েছে, প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে কারা সহযোগিতা করছে তা নিয়ে এখন গোয়েন্দা পর্যালোচনা চলছে।

দ্রুতই ভিডিও ফুটেজ থেকে হামলাকারীদের সনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে বলেও দাবি করেছে পুলিশ।

এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এএসপি) এম এ মাসুদ জানান, হামলাকারীদের কেউ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সহযোগিতা করেছে কিনা বা যারা এই হামলার সঙ্গে জড়িত তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। পাশাপাশি হামলাকারীরা এখন গোয়েন্দা নজরদারীতে রয়েছে।

জেলা প্রশাসক ড. মুহাম্মদ মোশাররফ হোসেন জানান, গোয়েন্দা সংস্থাকে তদন্তের জন্য বলা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে কারা কারা জড়িত এবং অন্য কোনো উদ্দেশ্য ছিল কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যারা জড়িত তাদের অচিরেই আইনের আওতায় আনা হবে।

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Like