‘বিউটিফুল তিয়ানঝিন’য়ে বিমুগ্ধ দর্শক

বাংলামেইল : শিল্পী কিংবা শিল্প কোনটারই নেই কোনো সীমারেখা। শিল্পীর নান্দনিক পরিবেশনা সব দেশের, সব ভাষার, সব জাতির হৃদয়ে শিহরণ জাগায়। ভালো লাগা ও ভালোবাসার অনুরণন ঘটায়। শিল্পকলা একাডেমিতে শুরু হওয়া চীনের শিল্পীদের নানা সাংস্কৃতিক শৈল্পিকতায় এদেশীয় দর্শকদের মুগ্ধতা আর উল্লাসে সেই চিত্রই ফুটে উঠেছে।

চীনের নববর্ষ ও বসন্ত উৎসব উপলক্ষে রোববার সন্ধ্যায় শিল্পকলা একাডেমীর জাতীয় নাট্যশালার মূল মিলনায়তনে দুই দিনব্যাপী মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক আয়োজন শুরু হয়।

মার্শাল আর্ট, অ্যাক্রোবেটিক, একক সঙ্গীত, সমবেত সঙ্গীত, যন্ত্রসঙ্গীত ও নৃত্য শিল্পকলার এসব নান্দনিকতা দিয়েই সাজানো ছিল ‘বিউটিফুল তিয়ানঝিন’ শীর্ষক চীনের শিল্পীদের এই আয়োজন।

এই আয়োজনকে কেন্দ্র করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পাঠানো একটি শুভেচ্ছাবার্তা এসময় প্রজেক্টরে প্রদর্শনের পাশাপাশি পড়েও শোনানো হয়।

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমী, চীনা দূতাবাস ও চায়না ফ্রেন্ডশীপ সেন্টারের যৌথ এই আয়োজনে শিল্পীদের মনকাড়া ও দৃষ্টিনন্দন অ্যাক্রোবেটিক শো’এর মধ্য দিয়েই অনুষ্ঠানমালার সূচনা ঘটে।

tianjin-dens-17.01‘ফিস্ট অব লিজেন্ড’, ‘ওড টু লোটাস’, ‘দ্য সিল্ক রোড ক্যামেল’,‘রোটেড ব্লানকেট,‘জিজিতসু’,ইত্যাদি নানা নামের মার্শাল আর্ট, অ্যাক্রোবেটিক শো, নৃত্য, সঙ্গীত ও যন্ত্রসঙ্গীতের পরিবেশনায় জাতীয় নাট্যশালার মূল মিলনায়তনে যেন শিল্পের হাটবাজার খুলে বসে চীনের শিল্পীরা। মিলনায়তনে উপস্থিত শিল্পের সমজদাররাও করতালির অভিনন্দনে সিক্ত করে চীনা এই শিল্পীদের।

এর আগে সংক্ষিপ্ত আলোচনায় প্রধান অতিথি ছিলেন চীনের রাষ্ট্রদূত মা মিং চিয়াং।

বক্তব্য রাখেন শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী ও বাংলাদেশ চায়না ফ্রেন্ডশীপ সেন্টারের সভাপতি মো. দেলোয়ার হোসেন।

এতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমীর সচিব জাহাঙ্গীর হোসেন চৌধুরী।

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Like