রাষ্ট্রপতির নিরাপত্তার উদ্যোগ দুই মাসেও বহাল : পর্যটকদের ভোগান্তি

Untitled-1.psdনিজস্ব প্রতিবেদক, কক্সবাজারটাইমসডটকম, ১৭ জানুয়ারি : রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ কক্সবাজার সফরে এসেছিলেন গত ১১ নভেম্বর। বিমান বাহিনীর নতুন প্রতিরক্ষা রাডার উদ্বোধনের জন্য তিনি কক্সবাজার এসেছিলেন। ওই সময় রাষ্ট্রপতির নিরাপত্তার জন্য গৃহিত উদ্যোগ দুই মাসের পরও কার্যকর রয়েছে। আর এ একটি সিদ্ধান্ত কার্যকর থাকার ভোগান্তির কবলে পড়তে হচ্ছে কক্সবাজারে আগত পর্যটকদের।
এই ভোগান্তি দৃশ্যটি কক্সবাজারের পর্যটন জোন কলাতলীর সুগন্ধা পয়েন্টের রাস্তাটি গেলে চোখে পড়ে। প্রতিদিন পুলিশ ও ট্রাফিক বিভাগের পক্ষে এ রাস্তাটি বন্ধ রাখা হয়। যানবাহন নিয়ে সুগন্ধা রাস্তা দিয়ে সমুদ্র সৈকতের সী ইন পয়েন্টে যাওয়ার সুযোগ থাকলেও ফিরতে দেয়া হয় না।
কক্সবাজারের আগত পর্যটক এবং কলাতলীস্থ পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা জানান, সুগন্ধা পয়েন্টের রাস্তাটি পর্যটকদের জন্য এখন খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ওই রাস্তা দিয়ে বিপুল সংখ্যক পর্যটক সমুদ্র সৈকতে আসতে যেতে ব্যবহার করেন। কিন্তু দুই মাস ধরে এ রাস্তাটি দিয়ের যাওয়ার সুযোগ থাকলেও ফিরতে পারে না। আর ফিরতে হলে যেতে হবে লাবণী পয়েন্টের মোড় হয়ে।
শনিবার সন্ধ্যায় এমন ভোগান্তিতে পড়েছিলেন কক্সবাজারের আগত কিছু পর্যটক। এসব পর্যটক কলাতলীর সী প্যালেস সংলগ্ন একটি আবাসিক হোটেলে অবস্থান নিয়েছিলেন। এসব পর্যটক জানান, তারা বামির্জ মাকের্ট থেকে ঘুরে সমুদ্র সৈকতের লাবণী পয়েন্টে যান। ওখান থেকে সী ইন পয়েন্ট হয়ে হোটেলে ফিরতে গিয়ে তাদের গাড়িটি আটকে দেয়া হয় সুগন্ধা রাস্তার কক্স টু ডের মোড়। ওখান থেকে তারা কক্স টু ডের রাস্তা হয়ে সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের রাস্তা গিয়ে দেখেন ওই রাস্তাটিও বন্ধ। ফলে তারা অনুমানিক দেড় কিলোমিটার ঘুরে লাবনীর রাস্তা হয়ে ঘুরে হোটেলে ফিরতে হয়েছে।
বিষয়টি নিয়ে কথা হয় কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশ সহকারি পুলিশ সুপার হোসাইন মো. রয়হান কাজেমী জানান, ওটা ট্রাফিক পুলিশের পক্ষে বন্ধ রাখা হয়। কিন্তু কি কারণে এটা বন্ধ রাখা হয় তিনি জানান না।
কক্সবাজার ট্রাফিক পুলিশের টিএসআই দেলোয়ার হোসেন জানান, রাষ্ট্রপতি কক্সবাজার সফরের আগেই নিরাপত্তার জন্য সড়কটি ওয়ান ওয়ে করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। ওই সিদ্ধান্তের পর থেকে এখনো তা বহাল রয়েছে।
রাষ্ট্রপতি সফরের দুই মাস পরে এমন সিদ্ধান্ত বহাল রাখার কারণে পর্যটকদের ভোগান্তির হচ্ছে কি না এমন কোন প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যায়নি।

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Like