নিজেই দূর করুন রক্তস্বল্পতা

বাংলামেইল: শরীরের রক্তে যখন রেড ব্লাড সেল বা হিমোগ্লোবিন কমে যায় তখন তাকে অ্যানিমিয়া বা রক্তশূন্যতা  বলে। অ্যানিমিয়ায় আক্রান্তদের শারীরিক দুর্বলতা বেড়ে যায়, বমি ভাব হয়, সারাদিন ঘুমঘুম লাগে, চেহারা ফ্যাকাসে দেখায়। তাই রক্তশূন্যতায় ভুগলে দ্রুত চিকিৎসার প্রয়োজন পড়ে। রক্তস্বল্পতার জন্য মূলত অপর্যাপ্ত লোহিত কণিকাকে দায়ি করা হয়। এই পরিস্থিতি মূলত শরীরে আয়রনের অভাবে হয়ে থাকে। তবে রক্তস্বল্পতাকে নিজেও দূর করা সম্ভব। এই সমস্যা থেকে রেহাই পেতে..

– ভিটামিন সি যুক্ত খাদ্য সহজে দেহে আয়রনের যোগান দেয়। টমেটো, লেবু, টক জাতীয় ফল, ক্যাপসিকাম ভিটামিন সি এর ভালো উৎস। নিয়মিত খেলে এসব খাদ্য উপাদান রক্তে আয়রনের পরিমান বজায় রাখে।

– খাদ্যতালিকায় আয়রন সমৃদ্ধ খাবারের পরিমাণ বাড়িয়ে দিতে হবে। পরিমিত মাংস, মাছ, বাদাম, সবুজ

শাকসবজি, কচু, কলিজা খেলে আয়রনের ঘাটতি দূর হবে।

– প্রতিদিন এক চা চামচ মধু আর এক চা চামচ ভিনেগার খাওয়ার অভ্যাস করতে পারেন। এগুলোতে যথেষ্ট পরিমাণে আয়রন, মেঙ্গানিজ ও কপার পাবেন, যা আপনার রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ ঠিক রাখবে।

– প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় ভিটামিন বি১২ আর ফোলেট সমৃদ্ধ খাবার রাখুন। কমলা, কলা, মটরশুঁটি, দুদ্ধজাত খাদ্য, ডিম এইগুলোতে যথেষ্ট পরিমাণে ভিটামিন বি১২ আর ফোলেট পাবেন।

– অ্যানিমিয়ার রোগীর জন্য ঘরোয়া পদ্ধতিতে সবচেয়ে উপকারী চিকিৎসা হল হাত, পা ম্যাসাজ করা। এতে করে শরীরে রক্ত চলাচল সঠিক উপায়ে হবে।

* এক কাপ আপেলের জুসের সঙ্গে এক কাপ বিট রুটের জুস আর চিনি মিশিয়ে প্রতিদিন একবার করে খেতে পারেন। অল্পদিনেই দারুণ উপকার পাবেন।

– একটি পাকা কলার সঙ্গে এক টেবিল চামচ মধু ব্লেন্ড করে প্রতিদিন খেতে পারেন। এভাবে প্রতিদিন ২টি করে কলা আর মধুর সংমিশ্রণ খেতে হবে। রক্তশূন্যতা কমে যাবে অল্পদিনেই।

– কফি, চা, রেড ওয়াইন আয়রন শোষণে বাধা দেয়। তাই যাদের অ্যানিমিয়া আছে তাদের এসব পানীয় পরিহার করা হবে স্বাস্থ্যসম্মত।

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Like